পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়ায় বসতবাড়িতে হামলা এবং পরবর্তীতে গৃহকর্তার চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রাণহানির ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রতিটি অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনতে রাজ্য প্রশাসনকে ১০ দিনের চূড়ান্ত সময় বেঁধে দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইন্দাস থানার পুলিশ সদস্যদের কার্যকারিতা নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনার দাবি উত্থাপন করেছে দলটি।
কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, নিহতের স্বজনদের সমবেদনা জানাতে করিশুণ্ডা গ্রামে পৌঁছান রাজনৈতিক দলটির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা। উল্লেখ্য, গত মধ্য আগস্টে নিজস্ব বাসভবনে জনাফ মাফিক নামের ওই ব্যক্তি সহিংসতার শিকার হন এবং পরবর্তীতে হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
পরিবারের সঙ্গে আলোচনার পর গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের মুখপাত্র জানান, ধার্যকৃত সময়ের মধ্যে মূল অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি না করা হলে জেলাভিত্তিক অবরোধসহ রাজ্যজুড়ে বৃহত্তর কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তার বদলে স্মৃতি রক্ষার্থে একটি আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চাওয়া হয়েছে।
স্থানীয় থানা সূত্রের তথ্যমতে, ভুক্তভোগীর স্ত্রীর লিখিত দাবিনামা অনুযায়ী ইতোমধ্যে আটজন সন্দেহভাজনকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রমে আরও একাধিক অজ্ঞাত ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত পর্যবেক্ষণকে কেন্দ্র করে নিহতের ছেলের সঙ্গে স্থানীয় একটি গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বের সূত্রপাত ঘটে, যার জেরে পরবর্তীতে এই হামলা সংঘটিত হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিরোধীরা ক্ষমতাসীন ও অন্যান্য রাজনৈতিক সংস্থাকে অভিযুক্ত করলেও জড়িত থাকার তথ্য অস্বীকার করেছে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক পক্ষগুলো।