সোমবার, 26 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

আইটি ট্রেনিং সেন্টারগুলো হবে স্টার্টআপ ও কর্মসংস্থানের কেন্দ্র: আইসিটি মন্ত্রী

দেশের প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোকে উদ্ভাবন, ব্যবসা সূচনা এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরির কার্যকর ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির যুগে টিকে থাকতে দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোক্তা বিকাশের কোনো বিকল্প নেই।

আইটি ট্রেনিং সেন্টারগুলো হবে স্টার্টআপ ও কর্মসংস্থানের কেন্দ্র: আইসিটি মন্ত্রী

দেশের প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোকে উদ্ভাবন, ব্যবসা সূচনা এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরির কার্যকর ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির যুগে টিকে থাকতে দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোক্তা বিকাশের কোনো বিকল্প নেই। এসব কেন্দ্রকে জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।


যশোরে আয়োজিত একটি বিশেষ আলোচনা সভায় যুক্ত হয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এই রূপরেখা প্রকাশ করেন।

তিনি জানান, কেবল সনাতন উপায়ে সনদ প্রদান বা নির্দিষ্ট ঘণ্টা প্রশিক্ষণের মধ্যেই সাফল্য সীমাবদ্ধ রাখা হবে না। প্রশিক্ষণ শেষে তরুণরা বাস্তবে কতটুকু কর্মসংস্থান পেল, আত্মকর্মসংস্থানে যুক্ত হতে পারল কিংবা নতুন ব্যবস্থার সূচনা করতে পারল—তা দিয়েই সফলতা বিচার করা হবে। সময়ের দ্রুত পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে গতানুগতিক ব্যবস্থার বদলে বর্তমানে বাজারভিত্তিক ও কর্মমুখী শিক্ষার বিস্তার জরুরি।

নতুন ভাবনার উদ্যোক্তাদের বিকাশে এসব আইটি সেন্টারে সার্বিক কারিগরি সাহায্য, ব্যবসায়িক পরামর্শ প্রদান, বাজারজাতকরণ এবং মূলধন জোগানের জন্য বিনিয়োগকারীদের সাথে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ থাকবে। একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ও শক্তিশালী ব্যবস্থা তৈরির অংশ হিসেবে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, আর্থিক খাত এবং ব্যবসায়িক সংগঠনগুলোকে একই প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার চিন্তা করা হচ্ছে।

প্রযুক্তি খাতের এই গতিশীলতা নিশ্চিত করতে এবং সেবাগুলোকে এক ছাতার নিচে আনতে একটি নতুন পরিচালনা রূপরেখা প্রণয়ন করা হয়েছে। সরকারি অকেজো বা অব্যবহৃত ভবনগুলোকে এর আওতায় এনে সেগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। এই পদক্ষেপের ফলে প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে মূল্যায়ন ও সনদ প্রদান পর্যন্ত পুরো প্রশাসনিক প্রক্রিয়াটি পুরোপুরি আধুনিক ডিজিটাল কাঠামোর আওতায় আসবে।

এই সংস্কার কর্মসূচির ফলে দেশে নতুন সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টি হবে, বিশ্ববাজারের উপযোগী ফ্রিল্যান্সার তৈরি হবে এবং বৈদেশিক বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এই উদ্যোগে যুক্ত থেকে সারা দেশের কেন্দ্রগুলোতে মানসম্মত সেবা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্ব প্রকাশ করেন।