শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

উপজেলা হাসপাতালসমূহে মানসম্মত চক্ষু সেবা প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

তৃণমূল পর্যায়ে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা পৌঁছে দেওয়ার অংশ হিসেবে উপজেলা পর্যায়ে নির্মাণাধীন পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালগুলোতে চোখের চিকিৎসার জন্য পৃথক বহির্বিভাগ, আন্তঃবিভাগ ও অস্ত্রোপচার কক্ষের সুবিধা যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক এক স্বাস্থ্য বিষয়ক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে সরকারের স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এই কথা ব্যক্ত করেন।

উপজেলা হাসপাতালসমূহে মানসম্মত চক্ষু সেবা প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

তৃণমূল পর্যায়ে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা পৌঁছে দেওয়ার অংশ হিসেবে উপজেলা পর্যায়ে নির্মাণাধীন পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালগুলোতে চোখের চিকিৎসার জন্য পৃথক বহির্বিভাগ, আন্তঃবিভাগ ও অস্ত্রোপচার কক্ষের সুবিধা যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক এক স্বাস্থ্য বিষয়ক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে সরকারের স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এই কথা ব্যক্ত করেন।


একই সঙ্গে তিনি জানান, সারা দেশে বিপুল সংখ্যক চক্ষু রোগীর ছানি অপসারণ, প্রয়োজনীয় চশমা সরবরাহ এবং বহুমূত্রজনিত চোখের জটিলতা চিকিৎসার লক্ষ্যে একটি সমন্বিত জাতীয় পরিকল্পনা চূড়ান্ত প্রক্রিয়ায় রয়েছে। রাজধানী শহরের এক অভিজাত মিলনায়তনে আয়োজিত আন্তর্জাতিক এই বৈশ্বিক সভার মাধ্যমে একটি বিশেষ বৈশ্বিক স্বাস্থ্য উদ্যোগ বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করল।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. মুহিত উল্লেখ করেন, প্রান্তিক অঞ্চলের সাধারণ মানুষকে যেন সাধারণ চিকিৎসার প্রয়োজনে শহরমুখী হতে না হয়, সে উদ্দেশ্যে প্রায় অর্ধশহস্র উপজেলায় উন্নত প্রযুক্তির সুবিধা সম্প্রসারিত করা হচ্ছে।

প্রাথমিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে তিনি আরও জানান, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় থাকা বিপুল সংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে প্রাথমিক দৃষ্টিসেবার বিষয়টি বাধ্যতামূলক হিসেবে যুক্ত থাকবে। এছাড়া জেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে খুব দ্রুত সিংহভাগ জেলায় নিয়মিত ছানি অস্ত্রোপচার ও দৃষ্টি পরীক্ষা কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।

বিশেষায়িত জাতীয় চক্ষু চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, ওই প্রতিষ্ঠানের ভৌত অবকাঠামো সম্প্রসারণে বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহায়তায় দেশে একটি বৈশ্বিক সম্মেলন আয়োজনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশের দৃষ্টিসেবা খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

উক্ত প্রাতিষ্ঠানিক সভায় দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি এবং জাতীয় চক্ষু গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বক্তব্য প্রদান করেন।