প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে কটিয়াদী উপজেলাজুড়ে স্থান পেয়েছে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা। আচমিতা ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী জর্জ ইনস্টিটিউট স্কুল প্রাঙ্গণে মূল অনুষ্ঠানের বিশাল মঞ্চ ও আধুনিক হলরুম নির্মাণের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
রাষ্ট্রপ্রধানের আগমনকে ঘিরে কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়ার সাধারণ মানুষের মাঝে বিপুল প্রত্যাশার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় অধিবাসীরা এলাকাটিতে নতুন শিল্প কারখানা স্থাপন, গ্যাস সুবিধা নিশ্চিতকরণ, নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, টেকসই যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা, নদ-নদীর প্রবাহ ফেরানো এবং কৃষকদের জন্য আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের জোর দাবি জানাচ্ছেন।
কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দীন প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে এলাকার সার্বিক অগ্রগতির জন্য মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন। জাতীয় পর্যায়ের এমন বৃহৎ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্রীয় শহর ছাড়িয়ে উপজেলায় নিয়ে আসার জন্য তিনি সরকারের প্রশংসা করে বলেন, এতে তৃণমূলের মানুষের মধ্যে ব্যাপক স্বতঃস্ফূর্ততা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী এবং কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি শরীফুল আলম জানান, আঞ্চলিক সড়কগুলোর জীর্ণ অবস্থা কাটাতে সেগুলোকে চার লেনে উন্নীত করার জোর প্রয়াস চলছে। পাশাপাশি ঢাকা-কিশোরগঞ্জ রেল যোগাযোগ সুসংহত করতে নতুন দ্রুতগামী ট্রেন চালু ও ভৈরব-কিশোরগঞ্জ লাইনটিকে ডাবল ট্র্যাকে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ণাঙ্গ অবকাঠামোগত বিকাশ ত্বরান্বিত করার ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি।