সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে এই সাইবার হামলা চালানো হয়। এর প্রভাবে কেন্দ্রটির উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চার দিন নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা চালিয়ে সেটির কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে হয়। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে আক্রান্ত কেন্দ্রটির নির্দিষ্ট স্থান বা নাম প্রকাশ করা থেকে বিরত থেকেছে প্রশাসন।
আক্রান্ত কারখানাটি আকারে তুলনামূলক ছোট হওয়ায় চার দিন বন্ধ থাকলেও জাতীয় গ্রিড কিংবা সার্বিক বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। তবে স্পর্শকাতর জাতীয় অবকাঠামোয় অনুপ্রবেশের এই ঘটনা নতুন করে নিরাপত্তার ঝুঁকি তুলে ধরেছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে যুক্ত হ্যাকাররা নিজেদের সক্ষমতা যাচাই করতেই এমন কৌশল গ্রহণ করে থাকতে পারে।
একই সময়ে আমেরিকার ডজনখানেক অঙ্গরাজ্যের পানি সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় একই ধরণের সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। ব্রিটিশ প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে বিদ্যুৎ খাতের নির্বাহীদের সতর্ক করার পাশাপাশি জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাকে অবহিত করেছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে, গুরুত্বপূর্ণ ইউটিলিটি খাতগুলো ডিজিটাল নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ায় ভবিষ্যতে এগুলো আরও বড় ধরণের সাইবার ঝুঁকির মুখোমুখি হতে পারে।