শনিবার সামুদ্রিক সতর্কবার্তার মাধ্যমে এই পূর্বাভাসের কথা নিশ্চিত করে আবহাওয়া সংস্থা।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, লঘুচাপটি আরও শক্তিশালী হয়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর বিরূপ প্রভাবে সমুদ্রবন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং বাংলাদেশের উপকূলবর্তী অঞ্চলসমূহে দমকা ও ঘূর্ণি হাওয়া বয়ে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ঝড়ো আবহাওয়ার কথা বিবেচনা করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত ঝুলিয়ে রাখতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সমুদ্রে বিচরণকারী সব মাছ ধরার ট্রলার ও নৌকাকে পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত তীরের কাছাকাছি থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়ার সামগ্রিক বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর বিস্তৃত অংশ ভারতের রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, বিহার এবং লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল অতিক্রম করে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত প্রসারিত রয়েছে। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু দেশের ভেতরে মোটামুটি সক্রিয় অবস্থায় থাকলেও উত্তর বঙ্গোপসাগরে বেশ শক্তিশালী রূপ ধারণ করেছে।
আগামীকালের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ অঞ্চলে এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি ঘটতে পারে। এর সাথে দেশের কিছু কিছু জায়গায় মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অত্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে।
উক্ত সময়ে সমগ্র দেশে দিন ও রাতের সার্বিক তাপমাত্রা প্রায় একই রকম থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।