কোশাম্বীর জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, মনোরি গ্রামের ওই পটকা তৈরির কারখানায় আচমকাই আগুন ধরে যায় ও পরপর একাধিক বিস্ফোরণ ঘটে। খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় ১১ জন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। হাসপাতালে আরও একাধিক দগ্ধ ব্যক্তি চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যাদের কয়েকজনের অবস্থা খুবই সংকটজনক।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ব্যক্তিবর্গ মূলত কারখানাটির আশপাশের এলাকার অধিবাসী ছিলেন। ঘটনার মাত্রা ও ধ্বংসযজ্ঞ বিবেচনায় নিহতের সংখ্যা পরবর্তীতে আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া ঘটনার সময় আশেপাশে থাকা প্রায় দুই ডজনের মতো মানুষ নানানভাবে চোট পেয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, স্থানীয় এক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সন্নিকটে অবস্থিত ওই কারখানার বিস্ফোরণটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে পুরো ভবনটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ার পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি পুরোপুরি গুঁড়িয়ে যায়।
সুরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ওই রুটে রেল চলাচলে সাময়িক ব্যাঘাত ঘটে। দুর্ঘটনার পরপরই সংলগ্ন দিল্লি-হাওড়া রেলপথ দিয়ে ট্রেন চলাচল প্রায় এক ঘণ্টার জন্য স্থগিত করা হয়। এই পরিস্থিতির কারণে ওই পথ দিয়ে যাতায়াতকারী দূরপাল্লার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন নিকটবর্তী বিভিন্ন স্টেশনে থামিয়ে রাখতে কিংবা পথ পরিবর্তন করতে বাধ্য হয় রেল কর্তৃপক্ষ।