বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের পর্যাপ্ত জোগান থাকায় নতুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট প্রকাশের পর দ্রব্যমূল্য বাড়ার মতো কোনো যৌক্তিক কারণ বা পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বুধবার রাজধানীর বাদামতলী পাইকারি চালের আড়ত এবং নয়াবাজার কাঁচাবাজারের সার্বিক পরিস্থিতি সরজমিনে পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, অর্থবিল বা বাজেট পেশ করার পরও চালের পাইকারি ও খুচরা বাজার পুরোপুরি স্থিতিশীল রয়েছে। বাজারে নতুন ও পুরোনো চালের মূল্যে সামান্য তারতম্য থাকলেও সামগ্রিকভাবে দাম বৃদ্ধির কোনো লক্ষণ বা প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে না। দেশের সর্বত্র চালের সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক থাকার পাশাপাশি পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে বলেও তিনি জানান। একই সঙ্গে চাল ছাড়াও অন্যান্য নিত্যপণ্যের বাজারদর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
বাজার পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী জানান, দেশে চালের বর্তমান মজুত ও সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ঘাটতি নেই। এর পাশাপাশি সরকারের বোরো ধান সংগ্রহ অভিযানও অত্যন্ত সন্তোষজনক গতিতে এগিয়ে চলছে। বাস্তব চিত্র বিশ্লেষণ না করে সাধারণ মানুষের মাঝে বাজার নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত আতঙ্ক তৈরি করতে পারে—এমন বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার করা থেকে বিরত থাকার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান খাদ্য প্রতিমন্ত্রী।