শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ সতর্কতা শিথিল

বাংলাদেশের জন্য পূর্বে জারি করা ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি বা ভ্রমণ সতর্কতা হালনাগাদ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ঢাকা ভ্রমণের ক্ষেত্রে নিজ দেশের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য সতর্কতার মাত্রা ‘লেভেল-৩’ (পুনর্বিবেচনা সাপেক্ষে ভ্রমণ) থেকে কমিয়ে ‘লেভেল-২’ (অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করে ভ্রমণ)-এ নামিয়ে এনেছে দেশটি।

বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ সতর্কতা শিথিল
ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশের জন্য পূর্বে জারি করা ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি বা ভ্রমণ সতর্কতা হালনাগাদ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ঢাকা ভ্রমণের ক্ষেত্রে নিজ দেশের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য সতর্কতার মাত্রা ‘লেভেল-৩’ (পুনর্বিবেচনা সাপেক্ষে ভ্রমণ) থেকে কমিয়ে ‘লেভেল-২’ (অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করে ভ্রমণ)-এ নামিয়ে এনেছে দেশটি।

মার্কিন প্রশাসনের এই হালনাগাদ মূল্যায়নের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি পূর্বের তুলনায় অধিকতর নিরাপদ ও অনুকূল হিসেবে প্রতিফলিত হলো।

প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বরাতে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গর-এর মধ্যে এক ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বৈঠক শেষ হওয়ার পর এক ব্যক্তিগত বার্তার মাধ্যমে মার্কিন প্রতিনিধি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রের এই ইতিবাচক সিদ্ধান্তের বিষয়ে নিশ্চিত করেন।

উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ট্রাভেল অ্যাডভাইজরির এই ইতিবাচক পরিবর্তন মূলত বাংলাদেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতার প্রতি ওয়াশিংটনের বর্ধিত আস্থারই বহিরপ্রকাশ। বিগত ছয় মাস ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপের কারণে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় দৃশ্যমান ও লক্ষণীয় উন্নতি সাধিত হয়েছে। একইসঙ্গে এই সিদ্ধান্ত ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যবর্তী সুদীর্ঘ বন্ধুত্বপূর্ণ ও অংশীদারিত্বের সম্পর্ককে আরও গতিশীল করার বার্তা দেয়।

সরকারি সূত্র মনে করে, ভ্রমণ সতর্কতার এই শিথিলকরণ দেশের অভ্যন্তরীণ সার্বিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সুসংহতকরণ, বাণিজ্য-বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক অঙ্গনে স্বাধীন চলাচলের জন্য বাংলাদেশ সরকারের নিরবচ্ছিন্ন প্রয়াসেরই এক গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।