বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

বিমানবন্দরে ৮৩ লাখ টাকার স্বর্ণ ও ৯ হাজার ডলারসহ গ্রেপ্তার ১

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ৮৩ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার এবং বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি মুদ্রাসহ মফিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পেশায় ওমরাহ হজ কাফেলার মোয়াল্লেম মফিদুল খুলনার লবণচরা এলাকার বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিমানবন্দরের বহির্গমন এলাকার কার পার্কিং থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

বিমানবন্দরে ৮৩ লাখ টাকার স্বর্ণ ও ৯ হাজার ডলারসহ গ্রেপ্তার ১
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ৮৩ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার এবং বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি মুদ্রাসহ মফিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পেশায় ওমরাহ হজ কাফেলার মোয়াল্লেম মফিদুল খুলনার লবণচরা এলাকার বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিমানবন্দরের বহির্গমন এলাকার কার পার্কিং থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মফিদুল ইসলাম সৌদি আরব থেকে আসা একটি ফ্লাইটে করে সকালে ঢাকায় অবতরণ করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ক্যানোপি-২ এলাকায় অবস্থান নেয় পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ধাওয়া করে তাকে ধরা হয়। পরবর্তীতে এপিবিএন অফিসে নিয়ে তার দেহ ও সাথে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে প্রায় ৫০০ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারদর ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার টাকার বেশি। এছাড়া তার কাছে ৯ হাজার মার্কিন ডলার, ৮ হাজার সৌদি রিয়ালসহ আরও কয়েকটি দেশের মুদ্রা এবং নগদ টাকা পাওয়া যায়।

জিজ্ঞাসাবাদে মফিদুল স্বীকার করেছেন যে, বিভিন্ন দেশ থেকে আসা অজ্ঞাত যাত্রীদের মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে এই স্বর্ণ ও মুদ্রাগুলো বাংলাদেশে আনা হয়েছে। জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দরের একটি চোরাচালান চক্রের প্রতিনিধি বা রিসিভার হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। এই অবৈধ মালামাল সংগ্রহের পর তা নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে দেওয়াই ছিল তার কাজ।

এপিবিএন-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির জানান, বিমানবন্দর এলাকাকে অপরাধমুক্ত রাখতে এবং চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের সদস্যরা সবসময় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। যেকোনো ধরনের অবৈধ পাচার রোধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। গ্রেপ্তারকৃত মফিদুলের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে বিমানবন্দর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।