শুক্রবার, 23 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

‘বিড়িতে সুখ টান দিয়েও দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলে আল্লাহ মাফ করে দিতে পারে’

নির্বাচনী প্রচারে ব্যতিক্রমী ও বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছেন ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক। বিড়ি টানার প্রসঙ্গ টেনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট চাওয়ার কথা বললে আল্লাহ ক্ষমা করে দিতে পারেন—এমন মন্তব্যই এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোড়ন তুলেছে।

‘বিড়িতে সুখ টান দিয়েও দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলে আল্লাহ মাফ করে দিতে পারে’
ছবি: সংগৃহীত।

নির্বাচনী প্রচারে ব্যতিক্রমী ও বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছেন ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক। বিড়ি টানার প্রসঙ্গ টেনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট চাওয়ার কথা বললে আল্লাহ ক্ষমা করে দিতে পারেন—এমন মন্তব্যই এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোড়ন তুলেছে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে ঝালকাঠির রাজাপুরে একটি নির্বাচনী উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। ওই বক্তব্য Dr. Fayzul Huq The Youth Leader of Bangladesh নামের একটি ফেসবুক পেজে লাইভ সম্প্রচার করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার রাতে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

ড. ফয়জুল হক বলেন, ‘আপনারা দৈনিক বিড়ি খান না ৫/১০টা। বিড়ি যে দোকান থেকে খাবেন ওই দোকানে গিয়ে বিড়ি অডার দেবেন আর লগে লগে বিড়ি ধরিয়ে একটা সুখটান মাইররা বলবেন—কী খবরডা কী ক দেহি। কারবারডা কি দেশের অবস্থা দেখছো দাঁড়িপাল্লা ছাড়া এ দেশে তো আর মানুষ দেখি না। শোনেন আমি তো গল্পের ছলে বলি তাই বলার কারণে আপনাদের আনন্দ লাগতেছে।’

ভিডিওতে আরও বলতে শোনা যায়, ‘এমনও হইতে পারে আমার ভাই হয়তো জীবনে কোনোদিন ইবাদত করার সুযোগ পায় নাই, তবে ওই সুখ টান দেওয়া বিড়ির মধ্যেও যদি সে ওই দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত দিয়ে আল্লাহর ধারে কবুল হয়ে যায়। এমনও হইতে পারে পিছনের সব আল্লাহ মাফ করে দিয়ে তারে তো ভালোও করে দিতে পারে।’

পুরুষ ভোটারদের উদ্দেশে পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, এখন থেকে ৫ টাকার চা খেয়ে ১৫ টাকার গল্প করতে হবে। সেই গল্পে বলতে হবে, সব জায়গায় ড. ফয়জুলের দাঁড়িপাল্লার জয়জয়কার চলছে। এতে আশপাশের আরও কয়েকজন একই কথা বলতে উৎসাহিত হবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নারী ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. ফয়জুল হক বলেন, ‘জীবনে অনেক গপ্পো মারছেন, প্রত্যেকদিন বিকেলে উঠানে যাইয়া গপ্পো মারা এরপর চুলের বিনি বাধা একজন আরেক জনের মাথা আচরাইয়া দেওয়া। কিন্তু আজকে থেকে একটা মাথাও আর ফ্রি আচরাইবেন না। যাইবেন ভাবির মাথায় চিরুনি রেখেই পেনাপোডা শুরু করবেন দাঁড়িপাল্লার।’

তিনি আরও বলেন, ‘এতদিন তোমার কথা শুনছি মাথার উকুন এনে দিছি আজকে থেকে তোমার কাছে আসলে তুমি আমার কথা শোনবা। তোমারে শোনাবো, তুমিও আরেকজনকে বলবা। আগামী নির্বাচনে অন্তত একবারের জন্য কায়েদা সাহেব হুজুরের নাতি ড. ফয়জুল হকরে রাজাপুর কাঁঠালিয়ায় দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেবা।’ পাশাপাশি আত্মীয়স্বজনসহ অন্তত ২০ জন নারী ভোটারকে ফোন করে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানোর কথাও বলেন তিনি।