বঙ্গভবন প্রাঙ্গণে উপস্থিত হলে পুলিশের একটি অশ্বারোহী স্কোয়াড তাঁকে অভ্যর্থনা জানায়। পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের পক্ষ থেকে সামরিক রীতি ও নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে সালাম জানানো হয়।
সালাম গ্রহণ পর্ব শেষে তিনি নিজ কক্ষে প্রবেশ করেন এবং প্রাসাদের উচ্চপদস্থ সামরিক ও অসামরিক দায়িত্বশীলদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সে সময় রাষ্ট্রপ্রধানের সামরিক সচিব এবং প্রশাসনিক বিভাগের প্রধান তাঁকে বঙ্গভবনের নানাবিধ কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত বিবরণ প্রদান করেন।
পরিচয় পর্ব শেষে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপ্রধান বঙ্গভবন প্রাঙ্গণের একাধিক ভবন ও সংরক্ষিত স্থানসমূহ ঘুরে দেখেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে, রাষ্ট্রপ্রধান পদে স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পর এটিই ছিল তাঁর কার্যালয়ে উপস্থিতি ও প্রথম কর্মদিবস। এর মধ্য দিয়েই দেশটির শীর্ষ দপ্তরে তাঁর দাপ্তরিক পথচলার আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটল।
এর পূর্বে ২৪ জুলাই তৎকালীন রাষ্ট্রপ্রধান মো. সাহাবুদ্দিন পদ ছেড়ে দিলে দেশটির আইন অনুযায়ী জাতীয় সংসদের অধ্যক্ষ হাফিজ উদ্দিন আহমদ অস্থায়ী রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব পান।
নূতন দায়িত্ব পাওয়ার পর গত রবিবার প্রত্যুষে সাভারে অবস্থিত স্মৃতিসৌধে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের অমর শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। পরিদর্শন বইতে অনুভূতি লিপিবদ্ধ করে সেখানে নিজ স্বাক্ষর যুক্ত করেন তিনি। ঐ অনুষ্ঠানে তিন বাহিনীর প্রধানগণ সহ উচ্চপর্যায়ের সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরবর্তীতে তিনি রাজধানী ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান।