শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

চরফ্যাশনে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২৩

চরফ্যাশন উপজেলার নির্বাচনী মাঠে শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি) তীব্র উত্তেজনার মধ্য দিয়ে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উভয় পক্ষ একে অপরের ওপর হামলার অভিযোগ করেছেন, যা স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীকে হস্তক্ষেপে বাধ্য করেছে।

চরফ্যাশনে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২৩
ছবি: সংগৃহীত

চরফ্যাশন উপজেলার নির্বাচনী মাঠে শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি) তীব্র উত্তেজনার মধ্য দিয়ে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উভয় পক্ষ একে অপরের ওপর হামলার অভিযোগ করেছেন, যা স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীকে হস্তক্ষেপে বাধ্য করেছে।

চরফ্যাশন উপজেলার টিবি স্কুল মাঠের আশপাশে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি জনসভায় যাওয়ার পথে বিএনপি কর্মীদের হামলার অভিযোগ করেছেন উপজেলা জামায়তে ইসলামীর নেতা অধ্যক্ষ মীর শরীফ হোসেন। বুধবার দুপুরে উপজেলা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, “টিবি স্কুল মাঠে জনসভায় যাওয়ার পথে বিএনপি কর্মীরা আমাদের বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এতে ১৫-২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। অনেককে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে, অন্যরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।”

অন্যদিকে একই ঘটনায় বিএনপির আহাম্মদপুর ইউনিয়ন নির্বাচনি পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক অধ্যাপক মঈন লিখিত বক্তব্যে জানান, ভোলা-৪ (চরফ্যাশন ও মনপুরা) আসনের বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের নির্বাচনি প্রচারণার সময় আহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড মৃধা বাড়ির জামে মসজিদের সামনে পূর্বপরিকল্পিতভাবে জামায়াতের নেতাকর্মীরা মিছিল করতে থাকে। তিনি বলেন, “আমাদের কর্মী নিরব মিয়াজী ও মান্নান তাদের স্লোগান দিতে নিষেধ করে। এসময় জামায়াতের আমির জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে ৫০-৬০ জন নারী ও পুরুষ নেতাকর্মী আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীরসহ ৮ জন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে নিয়ে যায়।”

জসিম উদ্দিন দাবি করেন, “আমরা হামলা করি নি। উল্টো তারা আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে।”

পুলিশ ও নৌবাহিনী খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে চারজন বিএনপি কর্মীকে আটক করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উভয় পক্ষের সঙ্গে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

দুলারহাট থানার ওসি মো. মিজান বলেন, “উভয় দলের নেতাকর্মী নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে বসবার আয়োজন করা হবে।”

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নির্বাচনী সহিংসতা ও উত্তেজনার কারণে শান্তি বজায় রাখতে প্রশাসনের সক্রিয় হস্তক্ষেপ অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।