দক্ষিণ লেবাননের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশকারী একটি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানকে সফলভাবে প্রতিহত করার দাবি করেছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।
মঙ্গলবার রাতে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্ত এলাকায় সম্ভাব্য হামলার উদ্দেশ্যে আসা ওই বিমানটিকে লক্ষ্য করে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য (সারফেস-টু-এয়ার) মিসাইল ছুড়লে সেটি পিছু হটতে বাধ্য হয়। হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানটি লেবাননের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে দক্ষিণ অংশে বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তবে হিজবুল্লাহর আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিটের তাৎক্ষণিক ও কার্যকর তৎপরতায় বিমানটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় এবং দ্রুত নিজের সীমানার দিকে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। এই ঘটনার মাধ্যমে গোষ্ঠীটি আবারও স্পষ্ট বার্তা দিল যে, দক্ষিণ লেবাননের আকাশে ইসরায়েলি আধিপত্য তারা বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেবে না।
হিজবুল্লাহর এই দাবির প্রেক্ষিতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। সাধারণত এই ধরনের সংবেদনশীল সামরিক অভিযানে তাৎক্ষণিক বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকে তেল আবিব। তবে সাম্প্রতিক সময়ে লেবানন সীমান্তে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সরাসরি সংঘাতের পর এটিই প্রথম যুদ্ধবিমান প্রতিহতের ঘটনা নয়। তবে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে নিয়মিতভাবে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য মিসাইলের ব্যবহার লেবানন যুদ্ধের কৌশলগত সমীকরণ বদলে দিচ্ছে। বিশেষ করে ইসরায়েল যখন দক্ষিণ লেবাননের লিটানি নদী পর্যন্ত অঞ্চল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিচ্ছে, তখন হিজবুল্লাহর এই শক্তিশালী পাল্টা প্রতিরোধ যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার সংকেত বহন করছে।দক্ষিণ লেবাননের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশকারী একটি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানকে সফলভাবে প্রতিহত করার দাবি করেছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। মঙ্গলবার রাতে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্ত এলাকায় সম্ভাব্য হামলার উদ্দেশ্যে আসা ওই বিমানটিকে লক্ষ্য করে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য (সারফেস-টু-এয়ার) মিসাইল ছুড়লে সেটি পিছু হটতে বাধ্য হয়। হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানটি লেবাননের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে দক্ষিণ অংশে বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তবে হিজবুল্লাহর আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিটের তাৎক্ষণিক ও কার্যকর তৎপরতায় বিমানটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় এবং দ্রুত নিজের সীমানার দিকে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। এই ঘটনার মাধ্যমে গোষ্ঠীটি আবারও স্পষ্ট বার্তা দিল যে, দক্ষিণ লেবাননের আকাশে ইসরায়েলি আধিপত্য তারা বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেবে না।
হিজবুল্লাহর এই দাবির প্রেক্ষিতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। সাধারণত এই ধরনের সংবেদনশীল সামরিক অভিযানে তাৎক্ষণিক বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকে তেল আবিব। তবে সাম্প্রতিক সময়ে লেবানন সীমান্তে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সরাসরি সংঘাতের পর এটিই প্রথম যুদ্ধবিমান প্রতিহতের ঘটনা নয়। তবে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে নিয়মিতভাবে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য মিসাইলের ব্যবহার লেবানন যুদ্ধের কৌশলগত সমীকরণ বদলে দিচ্ছে। বিশেষ করে ইসরায়েল যখন দক্ষিণ লেবাননের লিটানি নদী পর্যন্ত অঞ্চল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিচ্ছে, তখন হিজবুল্লাহর এই শক্তিশালী পাল্টা প্রতিরোধ যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার সংকেত বহন করছে।