শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

এবার নওগাঁ সীমান্ত দিয়ে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার হাঁপানিয়া সীমান্ত দিয়ে ১৭ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবির তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কারণে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি।

এবার নওগাঁ সীমান্ত দিয়ে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার হাঁপানিয়া সীমান্ত দিয়ে ১৭ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবির তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কারণে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ৮টার দিকে হাঁপানিয়া সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগের দিন বৃহস্পতিবারও দেশের বিভিন্ন সীমান্তের ১১টি পয়েন্ট দিয়ে ১২৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে বিজিবি।

বিজিবি বলছে, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সম্ভাব্য পুশইন ঠেকাতে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি এবং টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বিজিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সীমান্ত দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, প্রচলিত আইন এবং দ্বিপক্ষীয় সমঝোতার পরিপন্থি যেকোনো পুশইন প্রচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি সবসময় প্রস্তুত রয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নেত্রকোনা, সিলেট, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, জয়পুরহাট, খুলনা ও ঝিনাইদহ জেলার সীমান্তের ১১টি পয়েন্ট দিয়ে পুশইনের চেষ্টা করা হয়েছে।

নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, হাঁপানিয়া সীমান্তের ২৩৮/এমপি সীমান্ত পিলার এলাকায় বিএসএফের ৮৮ পান্নাছড়া ক্যাম্পের সদস্যরা ১৭ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছিল। খবর পেয়ে হাঁপানিয়া বিওপির টহলদল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের ভারতীয় শূন্যরেখার ভেতরে অবস্থানরত অবস্থায় শনাক্ত করে।

ওই ১৭ জনের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ৬ জন নারী এবং ৫ জন শিশু রয়েছে। বর্তমানে তারা সীমান্তের শূন্যরেখা এলাকায় অবস্থান করছে।

নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে। অবৈধভাবে কাউকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। তাদের ভারতীয় ভূখণ্ডে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম চলমান রয়েছে।