শুক্রবার, 23 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

গাইবান্ধায় নিবন্ধনহীন পাম্প থেকে ১২০০ লিটার পেট্রোল জব্দ

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী হাট এলাকায় লাইসেন্সবিহীন একটি জ্বালানি তেল বিক্রয় কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ২০০ লিটার পেট্রোল জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একইসঙ্গে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রির অপরাধে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রোববার বিকেলে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গাইবান্ধায় নিবন্ধনহীন পাম্প থেকে ১২০০ লিটার পেট্রোল জব্দ
ছবিঃ সংগৃহীত

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী হাট এলাকায় লাইসেন্সবিহীন একটি জ্বালানি তেল বিক্রয় কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ২০০ লিটার পেট্রোল জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একইসঙ্গে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রির অপরাধে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রোববার বিকেলে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে দুপুরে ভরতখালী হাটের মেসার্স আবুল কালাম আজাদ ট্রেডার্স নামক প্রতিষ্ঠানে সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল কবীরের নেতৃত্বে এই ঝটিকা অভিযান পরিচালিত হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ছিল, ওই প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকদের কাছ থেকে জ্বালানি তেলের অতিরিক্ত দাম রাখা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইউএনও, পুলিশ ও কৃষি কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত একটি দল সেখানে অভিযান চালিয়ে পাম্পের নিবন্ধনে ত্রুটি এবং তেল বিক্রিতে ব্যাপক অনিয়ম খুঁজে পায়। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালতের মাধ্যমে পাম্প মালিক আবুল কালাম আহাদকে (অলক) আর্থিক জরিমানা এবং সেখানে মজুত থাকা বিপুল পরিমাণ পেট্রোল বাজেয়াপ্ত করা হয়।

অভিযান প্রসঙ্গে ইউএনও মো. আশরাফুল কবীর জানান, জব্দ করা পেট্রোল নির্ধারিত সরকারি মূল্যে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রির জন্য পুলিশ ও কৃষি কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিক্রয়লব্ধ সম্পূর্ণ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা করার নির্দেশনা রয়েছে। সাঘাটা থানার ওসি মতিউর রহমান জানান, জব্দকৃত তেলের বিক্রয় প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

উল্লেখ্য, জেলাজুড়ে জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও কালোবাজারি রোধে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গত শুক্রবার গোবিন্দগঞ্জের খলসী এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজারকে পাঁচ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই দিনে কাটামোড় এলাকায় অবৈধভাবে ডিজেল মজুতের দায়ে এক দোকানদারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া শনিবারও ১০ হাজার টাকা জরিমানাসহ ১৫০ লিটার ডিজেল জব্দের ঘটনা ঘটে। লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়া এবং নিয়মবহির্ভূতভাবে তেল বিক্রির দায়ে অন্য এক ব্যবসায়ীকেও বড় অঙ্কের জরিমানা করা হয়েছে।