বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

গারদ থেকে পালানোর ৯ ঘণ্টার মধ্যেই ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেফতার

গাজীপুর সদর মেট্রো থানার হেফাজত থেকে কৌশলে পালিয়ে যাওয়া ডাকাতি মামলার আসামি সম্রাটকে মাত্র ৯ ঘণ্টার মধ্যেই পুনরায় গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। যৌথ অভিযানে ময়মনসিংহ থেকে তাকে আটক করে র্যাব ও গাজীপুর সদর মেট্রো থানা পুলিশ।

গারদ থেকে পালানোর ৯ ঘণ্টার মধ্যেই ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেফতার

গাজীপুর সদর মেট্রো থানার হেফাজত থেকে কৌশলে পালিয়ে যাওয়া ডাকাতি মামলার আসামি সম্রাটকে মাত্র ৯ ঘণ্টার মধ্যেই পুনরায় গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। যৌথ অভিযানে ময়মনসিংহ থেকে তাকে আটক করে র্যাব ও গাজীপুর সদর মেট্রো থানা পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক হওয়ার ঘটনায় সম্রাটের বিরুদ্ধে নতুন করে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রোববার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাতে গাজীপুরের বোর্ডবাজার এলাকা থেকে সম্রাটকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে আদালতে নেওয়ার প্রস্তুতির সময় গারদখানায় কৌশলে হাতকড়া থেকে হাত বের করে পালিয়ে যায় সে।

ঘটনার পরপরই গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট, সদর মেট্রো থানা পুলিশ এবং র্যাব সমন্বিতভাবে অভিযান শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে পালানোর মাত্র ৯ ঘণ্টার মধ্যে ময়মনসিংহ থেকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়।

গাজীপুর সদর মেট্রো থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, পালিয়ে যাওয়ার ৯ ঘণ্টার মাথায় র্যাব ও থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে সম্রাটকে ময়মনসিংহ থেকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পলাতক হওয়ার ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ ইসরাইল হাওলাদার বলেন, আসামির পলায়নের ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়েছে। ঘটনার পরপরই র্যাব ও জিএমপির বিভিন্ন ইউনিটকে সমন্বিত অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়। তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার এবং দ্রুত অভিযানের ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই আসামিকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জিএমপি জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে এবং অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, কীভাবে আসামি গারদখানা থেকে পালাতে সক্ষম হলো, তা বিভাগীয়ভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।