গণভোট বাস্তবায়নের দাবিকে সামনে রেখে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোট। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জোটের বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান লিয়াঁজো কমিটির সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আজাদ।
সংবাদ সম্মেলনে জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, “নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা থেকেই একসময় গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল।” তিনি অভিযোগ করে বলেন, ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের নৈরাজ্যের কারণে বর্তমানে শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তার দাবি অনুযায়ী, সরকার গণভোটে জনগণের দেওয়া রায়কে উপেক্ষা করে “নিন্দনীয় কাজ” করেছে এবং প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের মতামতকে অগ্রাহ্য করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণ সরকার বা রাজনৈতিক দলগুলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণের দায়িত্ব দিয়েছিল। কিন্তু এখন সরকার সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের কথা বলছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। এ অবস্থাকে তিনি তীব্র নিন্দা জানান এবং বলেন, গণভোটের জনরায় নিয়ে “ছিনিমিনি খেলা” চলছে।
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।
সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, জনগণের দুর্ভোগ উপেক্ষা করে ক্ষমতাসীনরা একচেটিয়া দলীয়করণে ব্যস্ত। স্থানীয় সরকার নির্বাচন না দিয়ে দলীয় লোকদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।
জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সরকারের এসব কার্যক্রমের বিরুদ্ধে জনমত গঠনের পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে রাজপথে বিক্ষোভ, সমাবেশ ও গণমিছিলের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।