আনুষ্ঠানিক সমাবেশ শুরুর পূর্বে সন্ধ্যার দিকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি মন্তব্য করেন যে, গণভোটের মাধ্যমে জনগণের দেওয়া রায় কার্যকর না করে বর্তমান সংসদের কার্যক্রম চলতে পারে না। তিনি অনতিবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়ে সতর্ক করেন যে, অন্যথায় কঠোর কর্মসূচির মাধ্যমে দাবি আদায়ে জনগণকে সাথে নিয়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হবেন তারা।
পরবর্তীতে সমাবেশের মূল মঞ্চে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মামুনুল হক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, জনগণের রায় বাস্তবায়নে কোনো ধরনের কালক্ষেপণ বা গড়িমসি মেনে নেওয়া হবে না। তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার উত্তরসূরি হিসেবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন আশা করে দেশের মানুষ। তবে বর্তমান দলীয় অবস্থান ও কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি বলেন, জনগণের সাথে দেওয়া অঙ্গীকার অনতিবিলম্বে পূরণ করা প্রয়োজন এবং এই রায় নিয়ে যেকোনো ধরনের টালবাহানা প্রতিহত করা হবে।
বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এই রাষ্ট্র কোনো বহিরাগত বা প্রতিবেশী দেশের ইশারায় পরিচালিত হতে পারে না। বাংলাদেশের নাগরিকরা দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো ধরনের বিদেশি আধিপত্য বা হস্তক্ষেপ আর বরদাশত করবে না বলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন।
চুয়াডাঙ্গার এই সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শারাফাত হুসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবুল হাসনাত জালালী এবং অর্থ সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান। এছাড়া মেহেরপুর, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ জেলাসহ স্থানীয় খেলাফত মজলিসের বিভিন্ন স্তরের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ কর্মীরা এই রাজনৈতিক কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।