ইরানি প্রশাসনের দাবি, লেবাননের ওপর চালানো এই ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসন মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের পূর্ববর্তী একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তির সরাসরি লঙ্ঘন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে সম্প্রচারিত দেশটির খাতাম-আল আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নতুন কোনো নির্দেশনা জারি না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো ধরনের নৌযান পারাপার হতে পারবে না। সামরিক নেতৃত্বের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, প্রতিপক্ষের প্রতিশ্রুতির অবমাননা এবং ক্রমাগত উসকানির জবাবে এটি তাদের প্রাথমিক জবাব মাত্র।
প্রতিরক্ষা বাহিনীর ওই বিবৃতিতে আরও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে যে, লেবাননের মাটিতে ইসরায়েলি হামলা অবিলম্বে বন্ধ না হলে বিশ্ব সম্প্রদায় ও প্রতিপক্ষকে আন্তর্জাতিক আইন মানতে বাধ্য করতে ভবিষ্যতে আরও বড় ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বৈশ্বিক খনিজ তেল ও জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান এই সমুদ্রপথটি আকস্মিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘোষণায় বর্তমানে গোটা মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে তীব্র ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।