সোমবার, 26 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

হরমুজ প্রণালির ওপর নিখোঁজ ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন

পারস্য উপসাগর ও গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এলাকায় মিশন পরিচালনার সময় মার্কিন নৌবাহিনীর অত্যন্ত ব্যয়বহুল একটি নজরদারি ড্রোন রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এমকিউ-৪সি ট্রাইটন মডেলের এই ড্রোনটি মাঝ আকাশে জরুরি বিপৎসংকেত পাঠানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই নিখোঁজ হয়ে যায় বলে এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে।

হরমুজ প্রণালির ওপর নিখোঁজ ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন
ছবিঃ সংগৃহীত

পারস্য উপসাগর ও গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এলাকায় মিশন পরিচালনার সময় মার্কিন নৌবাহিনীর অত্যন্ত ব্যয়বহুল একটি নজরদারি ড্রোন রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এমকিউ-৪সি ট্রাইটন মডেলের এই ড্রোনটি মাঝ আকাশে জরুরি বিপৎসংকেত পাঠানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই নিখোঁজ হয়ে যায় বলে এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে।

নিখোঁজ হওয়ার আগে ড্রোনটি সংশ্লিষ্ট জলসীমায় প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে পর্যবেক্ষণমূলক দায়িত্ব পালন করছিল। মিশন শেষে এটি ইতালির সিসিলিতে অবস্থিত মার্কিন নেভাল এয়ার স্টেশন সিগোনেলা ঘাঁটিতে ফেরার পথে ছিল। যাত্রাপথে হঠাৎ করেই ড্রোনটি ইরানের দিকে কিছুটা অগ্রসর হয় এবং ‘৭৭০০’ কোড ব্যবহার করে জরুরি পরিস্থিতির বার্তা পাঠায়। এর পরপরই ড্রোনটি দ্রুত উচ্চতা হারাতে শুরু করে এবং রাডার থেকে পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে যায়। তবে এটি কোনো যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে নাকি অন্য কোনো কারণে ভূপাতিত হয়েছে, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, এমকিউ-৪সি ট্রাইটন ড্রোনটি মার্কিন সামরিক বহরের অন্যতম দামি সরঞ্জাম, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার। উচ্চ আকাশ থেকে দীর্ঘ সময় ধরে সমুদ্রপথের স্পর্শকাতর এলাকায় কৌশলগত নজরদারি চালানোর বিশেষ সক্ষমতা রয়েছে এই ড্রোনটির। এটি সাধারণত পি-৮এ টহল বিমানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে সহায়তা করে থাকে।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন মাত্র দুই দিন আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছেছে এবং ইরান পুনরায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। স্থিতিশীলতা ফেরার এই প্রক্রিয়ার মধ্যেই অত্যাধুনিক এই ড্রোন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।