শুক্রবার, 6 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

ইরাকের কুর্দি নিয়ন্ত্রিত গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ ড্রোন হামলা

উত্তর ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ‘খোর মোর’ গ্যাসক্ষেত্র লক্ষ্য করে চালিয়েছে ড্রোন হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, উক্ত অঞ্চলের সিংহভাগ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে জ্বালানি সরবরাহে মূল ভূমিকা রাখে এই গ্যাসক্ষেত্রটি

ইরাকের কুর্দি নিয়ন্ত্রিত গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ ড্রোন হামলা
ছবি : সংগৃহীত

উত্তর ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ‘খোর মোর’ গ্যাসক্ষেত্র লক্ষ্য করে চালিয়েছে ড্রোন হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, উক্ত অঞ্চলের সিংহভাগ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে জ্বালানি সরবরাহে মূল ভূমিকা রাখে এই গ্যাসক্ষেত্রটি।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সোমবার দিবাগত মধ্যরাতের পর সুলাইমানিয়া প্রদেশে অবস্থিত এই গ্যাস স্থাপনায় আঘাত হানে ড্রোন।

প্রায় একই সময়ে উক্ত স্থান থেকে প্রায় দুইশত কিলোমিটার দূরে কুর্দি স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চলের প্রধান শহর এরবিলেও একের পর এক বিকট বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনার পর পরই সেই সম্পর্কিত কিছু দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় ও ইরানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন কূটনৈতিক কার্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকা সহ এরবিলের বিভিন্ন পয়েন্টে অন্তত সাতটি বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।

নিরাপত্তা সূত্রগুলোর বরাতে আন্তর্জাতিক মাধ্যম জানায়, এরবিলের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় খালিফান ও সোরান এলাকাকে নিশানা বানিয়ে অন্তত ৪টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, সম্ভাব্য এই হামলার পরপরই আকাশসীমায় মার্কিন যুদ্ধবিমান ও ড্রোনের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। পরিস্থিতি তদারকিতে আকাশে প্রায় ১০টিরও বেশি বিমান টহল দেয়।

পুলিশ নিশ্চিত করেছে, যেসব জায়গায় আঘাত হানা হয়েছে সেগুলোতে তীব্র আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এছাড়া দুটি ড্রোন নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছানোর পূর্বেই ভেঙে পড়ে।

উল্লেখ্য, টানা দুই সপ্তাহব্যাপী সামরিক পদক্ষেপের পর মার্কিন প্রশাসন ইরানের ওপর সাময়িক হামলা বন্ধ রাখে। এর পর পরই মূলত ইরাকে এই নতুন করে হামলার খবর প্রকাশ্যে এলো।

তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যমে সামরিক সরঞ্জামের সংকটের কারণে অভিযান থমকে যাওয়ার কথা বলা হলেও তা অস্বীকার করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মিশিগান যাওয়ার পথে তিনি জানান, কূটনৈতিক আলোচনা ও মধ্যস্থতাকারীদের আবেদনের প্রেক্ষিতেই এই সামরিক পদক্ষেপে বিরতি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে উভয় পক্ষের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে বলেও দাবি করেন তিনি।