শুক্রবার, 6 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

ইরানে নিখোঁজ পাইলটকে হত্যা করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ পাইলটকে জীবিত উদ্ধারের আশা ছেড়ে দিয়ে এখন তাকে সশরীরে নিশ্চিহ্ন করার পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র। দুই দিন আগে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর অভিযানে বিধ্বস্ত হওয়া ওই বিমানের ক্রু যেখানে অবস্থান করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, সেখানেই মার্কিন বাহিনী নির্বিচারে বিমান হামলা চালাচ্ছে। ইরানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির একটি সামরিক সূত্র এই বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ করেছে।

ইরানে নিখোঁজ পাইলটকে হত্যা করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র
ছবিঃ সংগৃহীত

ইরানে ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ পাইলটকে জীবিত উদ্ধারের আশা ছেড়ে দিয়ে এখন তাকে সশরীরে নিশ্চিহ্ন করার পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র। দুই দিন আগে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর অভিযানে বিধ্বস্ত হওয়া ওই বিমানের ক্রু যেখানে অবস্থান করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, সেখানেই মার্কিন বাহিনী নির্বিচারে বিমান হামলা চালাচ্ছে। ইরানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির একটি সামরিক সূত্র এই বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ করেছে।

ওই সামরিক সূত্রের দাবি অনুযায়ী, ওয়াশিংটন এখন নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধারের পরিবর্তে তাকে হত্যার মিশন হাতে নিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই পাইলট শত্রু শিবিরের হাতে ধরা পড়লে গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্য বা গোপনীয়তা ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়েই আমেরিকা এমন চরম ও মরিয়া পদক্ষেপ নিচ্ছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত রাতে ইরানের কোহগিলুয়ে ও বয়ের আহমদ প্রদেশের বিভিন্ন সম্ভাব্য স্থানে মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলো ব্যাপক বোমাবর্ষণ করেছে, যেখানে নিখোঁজ ক্রু সদস্য লুকিয়ে থাকতে পারেন বলে পেন্টাগন সন্দেহ করছে।

ইরানি সামরিক সূত্রটি আরও জানায়, বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় আরোহীকে খুঁজে পেতে মার্কিন সেনারা হন্যে হয়ে উঠেছে। তাকে উদ্ধারের কোনো নিশ্চিত পথ না পেয়ে এখন একাধিক স্থানে বোমা মেরে তাকে মেরে ফেলার চেষ্টা চলছে। তবে ওই পাইলট বর্তমানে ইরানি বাহিনীর হেফাজতে আছেন কি না, সে বিষয়ে সূত্রটি সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

সাক্ষাৎকারে সূত্রটি আরও উল্লেখ করেছে যে, আমেরিকা তাদের প্রথম পাইলটকে উদ্ধার করার যে দাবি করেছে, তা সম্পূর্ণ সত্য নয়। ওয়াশিংটন এই বিষয়ে বড় ধরনের তথ্য গোপন করছে যা সামনে আসবে। তেহরানের দাবি, বিধ্বস্ত যুদ্ধবিমান এবং নিখোঁজ পাইলটদের নিয়ে তৈরি হওয়া এই রহস্য শেষ পর্যন্ত মার্কিন প্রশাসনের জন্য একটি বিশাল আন্তর্জাতিক কেলেঙ্কারি বা ‘স্ক্যান্ডাল’ হিসেবে প্রমাণিত হবে। এই ঘটনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে।