শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

ইরানের তেল-খার্গ দ্বীপ দখলে নিতে চাই : ট্রাম্প

ইরানের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত তেল সম্পদ এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান । রোববার প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানের জ্বালানি খাতের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন।

ইরানের তেল-খার্গ দ্বীপ দখলে নিতে চাই : ট্রাম্প
ছবিঃ সংগৃহীত

ইরানের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত তেল সম্পদ এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান । রোববার প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানের জ্বালানি খাতের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন।

সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প উল্লেখ করেন যে, ইরান থেকে তেল আহরণ করা তাঁর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। তবে এই ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করলে দেশের ভেতরে কিছু মহলের সমালোচনার সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও তিনি সেটিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না। খার্গ দ্বীপের দখল প্রসঙ্গে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র এই দ্বীপটি কবজায় নেওয়ার একাধিক বিকল্প নিয়ে কাজ করছে এবং প্রয়োজনে সেখানে সাময়িকভাবে অবস্থান নেওয়ার পরিকল্পনাও তাদের হাতে রয়েছে। দ্বীপটির বর্তমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে ট্রাম্প দাবি করেন, সেখানে ইরানের কার্যকর কোনো প্রতিরোধ ব্যবস্থা অবশিষ্ট নেই এবং অত্যন্ত সহজেই দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সম্ভব।

প্রাকৃতিক সম্পদের দিক থেকে ইরান বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ দেশ হিসেবে স্বীকৃত। বিবিসির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশটির খনিগুলোতে অন্তত ২০৮.৬ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের মজুত রয়েছে, যা বৈশ্বিক মজুতের প্রায় ১১.৮২ শতাংশ। ভেনেজুয়েলা ও সৌদি আরবের পর এটিই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেলের খনি। ইরানের জাতীয় অর্থনীতি মূলত এই তেল রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল, যার প্রায় ৯০ শতাংশই যায় চীনে।

পারস্য উপসাগরে ইরানের মূল ভূখণ্ড থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মাত্র ৫ বর্গমাইল আয়তনের খার্গ দ্বীপটি দেশটির জ্বালানি বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত। ইরানের মোট অপরিশোধিত তেল এবং তরল গ্যাসের ৯০ শতাংশই এই দ্বীপের মাধ্যমে বিশ্ববাজারে সরবরাহ করা হয়। ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক কারণে দ্বীপটি হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী হওয়ায় আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও বাণিজ্যে এর গুরুত্ব অপরিসীম।