শুক্রবার, 6 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

ইরানকে সহযোগিতা : ৩৫ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

ইরানের তথাকথিত ‘ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা’র মাধ্যমে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে সামরিক বাহিনীকে অর্থায়নের অভিযোগে ৩৫ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন ট্রেজারি মন্ত্রণালয়। গত বুধবার এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই পদক্ষেপের কথা জানানো হয়। মূলত ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং তাদের বিশেষ শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরকে (আইআরজিসি) আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের দায়ে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ইরানকে সহযোগিতা : ৩৫ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের তথাকথিত ‘ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা’র মাধ্যমে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে সামরিক বাহিনীকে অর্থায়নের অভিযোগে ৩৫ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন ট্রেজারি মন্ত্রণালয়। গত বুধবার এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই পদক্ষেপের কথা জানানো হয়। মূলত ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং তাদের বিশেষ শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরকে (আইআরজিসি) আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের দায়ে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারিমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক বার্তায় নিশ্চিত করেছেন যে, তার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘বিদেশি সম্পদ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ’ এই নতুন বিধিনিষেধ জারি করেছে। তবে কালো তালিকাভুক্ত এই ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো ঠিক কোন দেশের নাগরিক বা কোথায় অবস্থিত, সে বিষয়ে দাপ্তরিকভাবে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

দীর্ঘদিন ধরে ইরানের তেল রপ্তানির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নানামুখী নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তেহরান আন্তর্জাতিক বাজারে তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছে। ওয়াশিংটনের দাবি, ইরান দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পক্ষের সহায়তায় একটি সমান্তরাল ব্যাংকিং কাঠামো গড়ে তুলেছে। এই প্রক্রিয়ায় তৃতীয় কোনো পক্ষ বা মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে তেল বিক্রির অর্থ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যাংকে রাখা হয়। পরবর্তীতে সেই অর্থ পরোক্ষভাবে ইরানের প্রতিরক্ষা সংস্থা ও আইআরজিসির কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। ইরানের তেল বাণিজ্য ও এর বিপণন কার্যক্রম মূলত এই বাহিনীর মাধ্যমেই নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে।

মার্কিন প্রশাসনের ভাষ্যমতে, সদ্য নিষিদ্ধ হওয়া ৩৫টি পক্ষ পর্দার আড়ালে থেকে ইরানের জ্বালানি খাতের অর্থ সরকারি ও সামরিক কোষাগারে স্থানান্তরের কাজে সক্রিয় ছিল। গত কয়েক বছর ধরে তেহরানের তেল বাণিজ্যের পথ রুদ্ধ করতে ওয়াশিংটন বারবার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক অস্থিরতা ও সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই তৎপরতা আরও জোরালো হয়েছে। এর আগে গত ১২ এপ্রিল ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, তেহরানের সঙ্গে কোনো স্থায়ী শান্তি চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত এই কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে।