শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মতো ‘ডেস্ট্রয়ার-বিধ্বংসী’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের দাবি ইরানের

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই প্রথমবারের মতো একটি মার্কিন জাহাজের বিরুদ্ধে ইরানে তৈরি ডেস্ট্রয়ার-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল কাউন্সিলের সেক্রেটারি মোহসেন রেজায়ী।

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মতো ‘ডেস্ট্রয়ার-বিধ্বংসী’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের দাবি ইরানের

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই প্রথমবারের মতো একটি মার্কিন জাহাজের বিরুদ্ধে ইরানে তৈরি ডেস্ট্রয়ার-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল কাউন্সিলের সেক্রেটারি মোহসেন রেজায়ী।

টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মোহসেন রেজায়ী বলেন, “৪৮ ঘণ্টা আগে প্রথমবারের মতো আমরা একটি আমেরিকান জাহাজের বিরুদ্ধে একটি ইরানি ডেস্ট্রয়ার-বিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাই। এই বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্রটি আমেরিকানদের জন্য নরক তৈরি করেছিল এবং তারা পালিয়ে যায়।”

ইরানের এ দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।

তবে এরই মধ্যে এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেন্টকম ইরানের বিপ্লবী গার্ডের উদ্দেশে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। সেখানে তারা লিখেছে, “বিপ্লবী গার্ডদের জন্য বার্তা স্পষ্ট: যদি আপনারা আমাদের দুটি জাহাজে গুলি চালান, তাহলে আমরা আপনাদের ওপর আরও অনেক বেশি অর্থনৈতিক মূল্য চাপিয়ে দেব এবং আপনাদের তিনটি জাহাজ ধ্বংস করব।”

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “আমরা আমেরিকান বাহিনীকে রক্ষা করতে দ্বিধা করব না এবং প্রয়োজন হলে ইরানের সীমিত ও ঝুঁকিপূর্ণ তেলবাহী জাহাজের বহর ধ্বংস করব।”

এদিকে ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচল নিয়ে সম্ভাব্য ঝুঁকির কথাও তুলে ধরেছেন বিপ্লবী গার্ডের সাবেক কমান্ডার মোহসেন রেজায়ী। ইরানের সঙ্গে পরামর্শ ছাড়া পরিচালিত জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “ইরানের সঙ্গে পরামর্শ না করে পরিচালিত জাহাজগুলোকে ইরানের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় যুক্ত করা হবে এবং সেগুলোকে অন্যান্য পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে, যার মধ্যে রয়েছে বীমা-সংক্রান্ত সমস্যা এবং পরবর্তী সময়ে চলাচলে জটিলতা।”