শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

ইসলামী আন্দোলনকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করা হয়েছিলো: গাজী আতাউর রহমান

সংগঠনটির ক্ষতিসাধনে একটি বিশেষ মহলের অপতৎপরতা সক্রিয় ছিল বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা আতাউর রহমান। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনকে ঘিরে দলে বিভেদ সৃষ্টি করে অখণ্ডতা বিনষ্টের চক্রান্ত করা হলেও সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহে বর্তমানে তাদের সাংগঠনিক ভিত্তি পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি সুসংহত।

ইসলামী আন্দোলনকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করা হয়েছিলো: গাজী আতাউর রহমান
ছবি : সংগৃহীত
সংগঠনটির ক্ষতিসাধনে একটি বিশেষ মহলের অপতৎপরতা সক্রিয় ছিল বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা আতাউর রহমান। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনকে ঘিরে দলে বিভেদ সৃষ্টি করে অখণ্ডতা বিনষ্টের চক্রান্ত করা হলেও সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহে বর্তমানে তাদের সাংগঠনিক ভিত্তি পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি সুসংহত।

শুক্রবার অপরাহ্ণে সংগঠনটির ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার মজলিসে শুরা অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা ব্যক্ত করেন।

মাওলানা আতাউর রহমান বলেন, নীতি ও আদর্শের শক্তিতে বলীয়ান কোনো দলকে কোনো মহল সহজেই মুছে ফেলতে পারে না। মানুষের বাহ্যিক উন্নয়নের চেয়ে আদর্শিক রূপান্তর যে কতটা জরুরি, তা বারবার স্পষ্ট হচ্ছে। ইসলাম কোনো একক বলপ্রয়োগ, অর্থবিত্ত বা জনশক্তির জোরে প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং তা সবসময় স্বর্গীয় অনুগ্রহের মাধ্যমেই প্রসারিত হয়েছে।

কর্মী ও দায়িত্বশীলদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, নিজেদের দক্ষ ও যোগ্য করে গড়ে তোলার পাশাপাশি আত্মিক উন্নয়নের ওপর জোর দিতে হবে। স্রষ্টার সঙ্গে গভীর বিশ্বাসী সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমেই শুভফল অর্জন সম্ভব। ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ বিধান হওয়া সত্ত্বেও তা শাসনব্যবস্থায় পুরোপুরি প্রতিষ্ঠা না পাওয়ার পেছনে আন্তরিকতা ও খোদাভীতির অপর্যাপ্ততাকে দায়ী করেন তিনি।

ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূমের সভাপতিত্বে পরিচালিত এই শুরা সম্মেলনে যৌথ সঞ্চালনায় ছিলেন মো. আব্দুল আউয়াল মজুমদার ও মাওলানা কেএম শরীয়াতুল্লাহ। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী।

উক্ত অধিবেশনে আরও বক্তব্য প্রদান করেন প্রকৌশলী আব্দুল হান্নান আল হাদী, আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন, আলহাজ্ব এম এইচ মোস্তফা, আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, অধ্যাপক ফজলুল হক মৃধা, মাওলানা নাযির আহমদ শিবলী এবং হাফেজ শাহাদাত হোসেন প্রধানিয়া।