আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, গত শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যার দিকে এই ভূকম্পনটি সংঘটিত হয়। কম্পন অনুভূত হওয়া মাত্রই নেপলস ও তীরবর্তী জনপদের মানুষের মাঝে তীব্র ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। নিজেদের জীবন সুরক্ষায় অসংখ্য মানুষ তৎক্ষণাৎ বাসাবাড়ি থেকে বেরিয়ে উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে অবস্থান নেন।
ইতালির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব জিওফিজিক্স অ্যান্ড ভলক্যানোলজির আওতাধীন ভিসুভিয়ান অবজারভেটরি প্রকাশ করেছে, এই ভূকম্পনের উৎপত্তিস্থল ছিল পোজ্জুওলির সলফাতারার অদূরে সুপরিচিত ‘ক্যাম্পি ফ্লেগ্রেই’ ভূখণ্ডে। ভূগর্ভের মাত্র ৩ কিলোমিটার গভীরে এর অবস্থান হওয়ায় ভূ-পৃষ্ঠে কম্পনের তীব্রতা অত্যন্ত প্রকটভাবে অনূভূত হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ইতালির বেসামরিক সুরক্ষা দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, সুরক্ষার স্বার্থে পোজ্জুওলি ও নেপলসের সংবেদনশীল স্থাপনাগুলো পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে কয়েকটি অঞ্চলে সুরক্ষার সুবিধার্থে সাময়িকভাবে রেল ও স্থানীয় দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল স্থগিত রেখে রেলপথসহ অন্যান্য পরিকাঠামো পরীক্ষা করে দেখা হয়।
একই সময়ে ভিসুভিয়ান অবজারভেটরির বিজ্ঞানীরা পুরো অঞ্চলজুড়ে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ জারি রেখেছেন। সেই সঙ্গে সম্ভাব্য ক্ষণস্থায়ী অনুকম্পন বা আফটারশকের আশঙ্কায় স্থানীয় অধিবাসীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ প্রদান করেছেন তারা।