মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের প্রভাবে দেশে জ্বালানি পরিস্থিতি চাপে পড়ায় তা মোকাবিলায় জাতীয় সংসদে ১০ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে ৩০ দিনের মধ্যে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সুপারিশ দিতে বলা হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
তিনি বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেল নিয়ে বৈশ্বিক সংকট তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিরোধী দলের নেতার প্রস্তাব অনুযায়ী সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের সমন্বয়ে একটি ১০ সদস্যের কমন কমিটি গঠনে ঐকমত্য হয়েছে।”
চিফ হুইপ আরও বলেন, “সংসদ নেতা সরকারি দলের ৫ জন এবং বিরোধী দলের নেতা ৫ জন সদস্যের নাম প্রস্তাব করেন। কার্যপ্রণালী বিধির ২৬৬ বিধি অনুযায়ী চিফ হুইপ কমিটির সদস্যদের নাম সংসদে উপস্থাপন করেন।”
কমিটির দায়িত্ব ও মেয়াদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই কমিটির মেয়াদ হবে ৩০ দিন। কমিটি সাম্প্রতিক জ্বালানি নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় সম্পর্কে সংসদে সুপারিশসহ রিপোর্ট প্রদান করবে।”
কমিটির সভাপতি করা হয়েছে সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে।
কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন—যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের এ. বি. এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান), শরীয়তপুর-৩ আসনের মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপু, মানিকগঞ্জ-২ আসনের মঈনুল ইসলাম খান, ঢাকা-১২ আসনের মো. সাইফুল আলম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের মো. নুরুল ইসলাম, ঢাকা-১৬ আসনের মো. আব্দুল বাতেন, কুমিল্লা-৪ আসনের মো. আবুল হাসনাত এবং সিলেট-৫ আসনের মোহাম্মদ আবুল হাসান।
চিফ হুইপের প্রস্তাবের পর স্পিকার বিষয়টি ভোটে দিলে তা সর্বসম্মতভাবে পাস হয়।