গ্রাহকদের ন্যায্য অধিকার ও স্বার্থ রক্ষা করা টেলিকম অপারেটরদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি স্পষ্ট জানান, শুধু ব্যবসায়িক মুনাফাই শেষ কথা নয়, এর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টির দিকটিতেও সমান নজর দেওয়া আবশ্যক।
রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে গ্রামীণফোন আয়োজিত ‘ডিজিটাল ইনক্লুশন ফর মার্জিনালাইজড কমিউনিটিস’ শীর্ষক প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের শুভ সূচনালগ্নে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা ব্যক্ত করেন।
টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, দেশের অবহেলিত ও প্রান্তিক মানুষকে আধুনিক নেটওয়ার্ক সুবিধার আওতায় এনে ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’ নীতি অনুসরণ করে সরকার তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উত্তরোত্তর অগ্রগতি সাধন করছে। তা সত্ত্বেও গ্রাহক সমাজ থেকে দুটি বিষয়ে প্রতিনিয়ত সবচেয়ে বেশি অসন্তোষ প্রকাশ পায়, যার একটি হলো কথা বলার মাঝে সংযোগ কেটে যাওয়া এবং অন্যটি ডাটা প্যাকের বাড়তি দাম।
তিনি আরও প্রকাশ করেন যে, প্রায় প্রতিদিন নানা চড়াই-উতরাইয়ের মাঝে তাঁকে এই দুটি নাগরিক সমস্যা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। তাই গ্রাহকদের স্বার্থ ও জনদাবির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়ার জন্য তিনি টেলিকম প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানান। এতে করে সেবাদাতা সংস্থা ও গ্রাহক—উভয় পক্ষের জন্যই একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হবে বলে তিনি মনে করেন।
উক্ত আড়ম্বরপূর্ণ সমাবেশে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী, প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তাব্যক্তিরা এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।