বৃহস্পতিবার, 15 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

শিক্ষাব্যবস্থা থেকে কোচিং বাণিজ্য নির্মূল করতে সরকার নানা উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান কঠোর এবং কোচিং নির্ভরতা সমাজে দীর্ঘদিন ধরে একটি বড় সমস্যায় পরিণত হয়েছে।

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

শিক্ষাব্যবস্থা থেকে কোচিং বাণিজ্য নির্মূল করতে সরকার নানা উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান কঠোর এবং কোচিং নির্ভরতা সমাজে দীর্ঘদিন ধরে একটি বড় সমস্যায় পরিণত হয়েছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর পাড়াডগার মান্নান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোচিং নিয়ন্ত্রণে নতুন কিছু উদ্ভাবনী নীতি ও পরিকল্পনা চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে খুব শিগগিরই পাইলট প্রকল্প চালু করা হবে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ের বৃত্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে এখনো বড় ধরনের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা, অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং বৃত্তির পরিমাণ পুনর্বিবেচনার পরিকল্পনা রয়েছে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, বৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তিনি বলেন, “এই প্রক্রিয়াটি আমরা বাদ দিতে চাই না। তাই দায়িত্ব নেওয়ার পরই আমরা বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিই এবং তা বাস্তবায়ন করি। আগামী বছরগুলোতে নিয়মিত ও সঠিক সময়ে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।”

স্কুলের অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়েও সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী জানান, বিদ্যালয়গুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দৃষ্টিনন্দন প্রজেক্ট ও পিডিপি ফাইভ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার মাধ্যমে শ্রেণিকক্ষ সম্প্রসারণ, ওয়াশরুম নির্মাণ, অবকাঠামোগত নকশা পরিবর্তন এবং আসবাবপত্র সংস্কার করা হবে।

তিনি আরও বলেন, গত কয়েকদিন ধরে তিনি, সচিব ও মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শন করছেন। শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার সময় প্রয়োজনীয় সুবিধা পাচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি চলছে। মাঠপর্যায়ে সরাসরি পর্যবেক্ষণে সন্তোষজনক চিত্র পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি।

পরিদর্শনের সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।