বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

কুষ্টিয়ায় পাম্পে তেল সংকট, চালকদের ক্ষোভ

কুষ্টিয়া জেলাজুড়ে গত কয়েক দিন ধরে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। বিশেষ করে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র সংকট তৈরি হওয়ায় বাস, ট্রাক, সিএনজি ও মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের যানবাহনের চালকরা চরম বিপাকে পড়েছেন। রোববার দুপুরে শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, তেলের জন্য হাহাকার করছেন গ্রাহকরা।

কুষ্টিয়ায় পাম্পে তেল সংকট, চালকদের ক্ষোভ
ছবিঃ সংগৃহীত

কুষ্টিয়া জেলাজুড়ে গত কয়েক দিন ধরে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। বিশেষ করে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র সংকট তৈরি হওয়ায় বাস, ট্রাক, সিএনজি ও মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের যানবাহনের চালকরা চরম বিপাকে পড়েছেন। রোববার দুপুরে শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, তেলের জন্য হাহাকার করছেন গ্রাহকরা।

চাহিদা অনুযায়ী তেল না পেয়ে অনেক চালক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ অভিযোগ করছেন, পাম্প মালিকরা ইচ্ছাকৃতভাবে মজুদ রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন। আবার পাম্প কর্তৃপক্ষের দাবি, ডিপো থেকে সরবরাহ কমে যাওয়ায় তারা গ্রাহকদের চাহিদা মেটাতে পারছেন না। শহরের একটি স্টেশনে তেল নিতে আসা এক মোটরসাইকেল আরোহী জানান, আগের দিন ২০০ টাকার তেল মিললেও আজ ১০০ টাকার বেশি তেল দিচ্ছে না পাম্প কর্তৃপক্ষ। তেল বিক্রি সীমিত করায় অনেক জায়গায় পাম্প কর্মীদের সঙ্গে চালকদের বাগবিতণ্ডার ঘটনাও ঘটছে।

রোববার সরেজমিনে শহরের মজমপুর এলাকার মেসার্স কুষ্টিয়া স্টোরে দেখা যায়, কয়েক শ যানবাহন তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছে। অকটেন শেষ হয়ে যাওয়ায় সেখানে কেবল সামান্য পরিমাণে পেট্রোল বিক্রি করা হচ্ছে। অন্যদিকে, মেসার্স এম এ রাজ্জাক এন্ড সন্সসহ শহরের অধিকাংশ ফিলিং স্টেশন তেল না থাকায় বিক্রি পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে। রাজ্জাক ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক মাছুদুল হক জানান, তেল আনতে ইতিমধ্যে খুলনায় গাড়ি পাঠানো হয়েছে এবং সোমবার নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে।

গ্রাহকদের পক্ষ থেকে কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ তোলা হলেও কুষ্টিয়া জেলা জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতি তা অস্বীকার করেছে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই তপো জানান, পাম্পগুলোতে মজুদ শেষ হয়ে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তেল লোড করার জন্য গাড়িগুলো খুলনায় অবস্থান করছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ব্যাংক সল্পতার কারণে তেল উত্তোলনে কিছুটা জটিলতা হচ্ছে। ঈদযাত্রার কথা মাথায় রেখে ডিপো সংলগ্ন ব্যাংকগুলো খোলা থাকলে তেল সরবরাহ প্রক্রিয়া আরও দ্রুততর হতো বলে তিনি মনে করেন। সোমবারের মধ্যে এই সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে সমিতি।