শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক বার্তায় এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তানীতিসংক্রান্ত শীর্ষ প্রতিনিধি কাজা কাল্লাসের বক্তব্যের জবাবেই তিনি এই মন্তব্য করেন।
ইরানি মুখপাত্র স্পষ্ট করেন, সাধারণ জনগণ এবং স্পর্শকাতর জাতীয় স্থাপনা ধ্বংসের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হামলায় যদি ইইউ কারিগরি ও সরবরাহজনিত সমর্থন জোগায়, তবে তাদের মানবাধিকার সুরক্ষার বয়ান কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
বাঘেই আরও উল্লেখ করেন, মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানে প্রাণহানি, বিশেষত শিশুদের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় ইইউ কোনো ধরনের সহমর্মিতা প্রকাশ করেনি। একইসঙ্গে সংঘটিত প্রকাশ্য যুদ্ধাপরাধের বিপক্ষে প্রতিবাদ জানাতেও তারা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র দপ্তরের এই কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, ইউরোপীয় জোটের এমন পক্ষপাতমূলক আচরণ মূলত অনাচারকে প্রশ্রয় দেওয়ার শামিল এবং কপটতার এক চরম নিদর্শন।