শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

মধ্যপ্রাচ্য অভিযানে মার্কিনীদের ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেয় নি ইতালি

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযান পরিচালনার লক্ষ্যে নিজেদের ভূখণ্ডে থাকা বিমানঘাঁটি ব্যবহারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের করা অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে ইতালি। দেশটির সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সিসিলির গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিটি মার্কিন বাহিনীকে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।

মধ্যপ্রাচ্য অভিযানে মার্কিনীদের ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেয় নি ইতালি
ছবিঃ সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযান পরিচালনার লক্ষ্যে নিজেদের ভূখণ্ডে থাকা বিমানঘাঁটি ব্যবহারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের করা অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে ইতালি। দেশটির সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সিসিলির গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিটি মার্কিন বাহিনীকে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, পূর্ব সিসিলির সিগোনেল্লা বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি বোমারু বিমান অবতরণের পরিকল্পনা ছিল, যেখান থেকে পরবর্তীতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে অভিযান চালানোর কথা। ইতালির প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘কোরিরে ডেলা সেরা’ এই পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করলেও ঠিক কবে নাগাদ এই অবতরণ হওয়ার কথা ছিল, তা সুনির্দিষ্টভাবে জানায়নি।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, এই প্রত্যাখ্যানের পেছনে মূল কারণ হলো যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করা। ইতালিতে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনা ব্যবহারের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান চুক্তি অনুযায়ী যেকোনো পদক্ষেপের আগে ইতালি সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা এবং অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। তবে এবারের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো আবেদন করেনি এবং ইতালির সামরিক নেতৃত্বকেও বিষয়টি আগেভাগে জানায়নি। এই পদ্ধতিগত ত্রুটির কারণেই ইতালীয় কর্তৃপক্ষ অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

এদিকে রয়টার্স এই বিষয়ে ইতালির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য জানতে চাইলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ইতালির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিষয়টি নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে। বিশেষ করে দেশটির অতি বামপন্থি বিরোধী দলগুলো ইতালির ঘাঁটি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র যেন কোনো যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে সরকারকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির নেতৃত্বাধীন ডানপন্থি সরকার ঘোষণা করেছে যে, ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো প্রস্তাব এলে তা চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে অবশ্যই পার্লামেন্টের সম্মতি নেওয়া হবে।