ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফন প্রক্রিয়া আগামী মহররম মাসের শুরুর দিকে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তেহরানের উপ-মেয়র এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, এই শোকাবহ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ, কাশ্মীরসহ পূর্ব ইসলামি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ও বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষের সমাগম ঘটবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক হামলা শুরু হওয়ার প্রথম দিকেই নিজের দপ্তরে থাকাকালীন নিহত হন দেশটির শীর্ষ এই ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতা। সেই হামলায় তাঁর পরিবারেরও বেশ কয়েকজন সদস্য প্রাণ হারান, যাঁদের স্মরণে গত সপ্তাহে তেহরানে একটি বিশেষ স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়েছিল।
এর আগে তেহরানের ইসলামি প্রচার সমন্বয় কমিটির প্রধান মহসেন মাহমুদ এই শেষকৃত্য নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে জানান, খামেনির বিদায়ী অনুষ্ঠানটি বিশ্বমঞ্চে এমন একটি ঐতিহাসিক আয়োজন হতে যাচ্ছে, যা সামগ্রিক ইসলামি দুনিয়া ও ইরানের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই স্মরণীয় জানাজায় শরিক হতে ইতিমধ্যে ইরাকসহ বিভিন্ন প্রতিবেশী রাষ্ট্র থেকে আগ্রহ প্রকাশ ও নিবন্ধনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সালে ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনির প্রয়াণের পর দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অভিভাবক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে নিহত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত দীর্ঘ সাড়ে ছত্রিশ বছর তিনি অত্যন্ত প্রভাবশালী এই পদে আসীন ছিলেন।