শুক্রবার দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত সেলাই যন্ত্র ও আর্থিক অনুদানের চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য ব্যক্ত করেন।
অধ্যাপক জাহিদ হোসেন উল্লেখ করেন, সমাজের অবহেলিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নত করাই বর্তমান সরকারের মূল উদ্দেশ্য। নারীদের নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগ তৈরি করা, ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনায় উদ্বুদ্ধ করা এবং সামাজিক কল্যাণমুখী সংস্থাগুলোর হাতকে আরও শক্তিশালী করতেই এই ধরনের সহযোগিতা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা দপ্তরের যৌথ ব্যবস্থাপনায় বিরামপুরে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এডিপির বিশেষ তহবিলের আওতায় এসব সেলাই যন্ত্র ও অনুদানের চেক আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।
আয়োজিত এ কর্মসূচির অধীনে এডিপির বিশেষ তহবিল থেকে ১২ জন নারীকে সেলাই যন্ত্র প্রদান এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পিছিয়ে পড়া ৮৫ জন মানুষের হাতে আর্থিক অনুদানের সনদ তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ১০৬ জন অসচ্ছল ও প্রতিভাবান শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক হস্তান্তর করা হয়। তাছাড়াও বিরামপুর অঞ্চলের ১০টি অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মধ্যে বাৎসরিক সরকারি অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে।
উক্ত জনসভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. তানজিনা খাতুন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আব্দুল আউয়ালসহ প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রতিনিধি, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সুবিধাভোগী সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।