নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হওয়া পরিস্থিতির মাধ্যমে তাঁর ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমি যেন নির্বাচনের দিন, ১২ তারিখ পর্যন্ত ধৈর্য ধরে থাকতে পারি এই দোয়া চাই।”
রোববার রাজধানীর আরামবাগ এলাকায় গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মির্জা আব্বাস। তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যে ফেলতে পরিকল্পিতভাবে পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, “আমি যেন অশান্তিতে থাকি এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এমন কিছু অশালীন কথা বলছে- যাতে এখানে মারামারি হয়। আমিতো ঐদিকে যাবো না। তারা নির্বাচনে সিনক্রিয়েট করার অনেক চেষ্টা করছে।”
গণসংযোগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার তিনি আরামবাগের পর ফকিরাপুল এলাকায় যান। পরে বিকেলে কমলাপুর কালভার্ট রোড থেকে বাবে রহমত উটখামার পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণা চালান। সন্ধ্যার দিকে সিদ্ধেশ্বরী কলেজের আশপাশে গণসংযোগ করেন এবং রাতে বঙ্গভবন স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় প্রচারণার কথা জানান।
নির্বাচন প্রসঙ্গে মির্জা আব্বাস অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন ভণ্ডুল করতে কয়েকটি দল পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে এবং ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে ফলাফল প্রভাবিত করার চেষ্টা হতে পারে। তাঁর দাবি, নিজেরা যে কর্মকাণ্ড করছে, তার দায় অন্য দলের ওপর চাপানোর কৌশল নেওয়া হচ্ছে, কারণ তাদের সমর্থিত দল বর্তমানে ক্ষমতায় রয়েছে।
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, যাদের দেশ পরিচালনার কোনো অভিজ্ঞতা নেই, তারা কীভাবে ১২ তারিখের পর ক্ষমতায় এসে ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি দেয়। মির্জা আব্বাসের মতে, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিজেদের লোক বসাতে পারার কারণেই তারা এমন সাহস পাচ্ছে এবং প্রয়োজনে নির্বাচনের ফল নিজেদের মতো করে প্রভাবিত করার চেষ্টা করতে পারে।