শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা চোখে পড়া জাতির জন্য ব্যর্থতা: নৌপরিবহণমন্ত্রী

আইনগতভাবে নিষিদ্ধ কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের দৃশ্যমান কার্যক্রম চলমান থাকা পুরো জাতির জন্য একটি বড় ব্যর্থতা বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ রবিউল আলম।

নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা চোখে পড়া জাতির জন্য ব্যর্থতা: নৌপরিবহণমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

আইনগতভাবে নিষিদ্ধ কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের দৃশ্যমান কার্যক্রম চলমান থাকা পুরো জাতির জন্য একটি বড় ব্যর্থতা বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ রবিউল আলম।

মঙ্গলবার সকালে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার চর গলগলিয়া এলাকায় ধলেশ্বরী নদীর ওপর নির্মিত রেলসেতুর ঢাকা অংশের ভায়াডাক্টের নিচে বাংলাদেশ রেলওয়ের একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই কথা বলেন।

উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট দলটি অতীতে একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে কার্যক্রম চালালেও, পরবর্তীতে জনগণের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে প্রতিপক্ষ হিসেবে ভূমিকা রাখার কারণে আজ তারা জনসমাজ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন, বর্জিত এবং সবশেষে সরকারিভাবে নিষিদ্ধ হয়েছে। ফলে নিষিদ্ধ একটি সত্তার কোনো অস্তিত্ব থাকার সুযোগ নেই।

দেশবাসীর প্রবল আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবেই সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তকে পুরো জাতি অত্যন্ত ইতিবাচক ও স্পষ্ট হিসেবে গ্রহণ করেছে। মূলত এই নিষিদ্ধকরণের লক্ষ্য নিয়েই সাধারণ মানুষ গণঅভ্যুত্থানে শামিল হয়েছিল এবং তাদের দেশ ত্যাগে বাধ্য করেছিল। যেকোনো রাজনৈতিক দলের গ্রহণযোগ্যতার মূল ভিত্তি হলো জনগণ। এখন দেশের সাধারণ মানুষ এবং দেশের প্রচলিত আইন উভয় পক্ষই যখন তাদের নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে, তখন এই অকার্যকর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে কথা বলার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

অনুষ্ঠানে সরকারি জায়গার অপচয় রোধ ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি উৎপাদন প্রসঙ্গে শেখ রবিউল আলম জানান, সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের অধীনে থাকা পতিত জমিগুলো সুনির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। জমির পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে এগুলোকে আলাদা কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা হচ্ছে, যেখানে এক একরের কম, এক একরের বেশি এবং তিন একরের ওপরের জায়গাগুলোকে ভিন্ন ভিন্ন তালিকায় আনা হচ্ছে।

তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, তিন একরের বেশি আয়তনের একেকটি খালি জায়গায় সোলার প্যানেল বসিয়ে প্রায় এক মেগাওয়াট পর্যন্ত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। এ ধরনের বড় সরকারি জমিগুলো চিহ্নিত করে সেখানে সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে উৎপাদিত বিদ্যুৎ স্থানীয় এলাকার চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার।

উক্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা লগ্নে মন্ত্রীর সঙ্গে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ মো. আব্দুল্লাহ, জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা ঘোষসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।