অবহেলিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনীতির মূল স্রোতে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের আর্থিক উন্নয়নে সমান অধিকার রয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, কেবল রাজনৈতিক ক্ষেত্রে গণতন্ত্র থাকলেই চলবে না, বরং অর্থনীতির সুফল যেন সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছায় সে জন্য অর্থনৈতিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। বর্তমান সরকার সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।
রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অনানুষ্ঠানিক খাতের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংক ও পিকেএসএফ-এর যৌথ উদ্যোগ ‘রেইজ’ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে সরকার এখন থেকে কঠোর মানদণ্ড অনুসরণ করবে। নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ না হলে কোনো প্রকল্পই অনুমোদন দেওয়া হবে না। পিকেএসএফ-এর কাজের প্রশংসা করে তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানটির সেবার পরিধি আরও বিস্তৃত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সরকারি সহযোগিতা প্রদানের বিষয়টি সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবা খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যয় প্রতিবেশী অনেক দেশের চেয়েও বেশি, যা অনভিপ্রেত। এই ব্যয় কমিয়ে সেবা সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে আনতে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি ঘোষণা করেন যে, আগামী জাতীয় বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা হবে এবং সাধারণ জনগণের জন্য এসব মৌলিক সেবা আরও সহজলভ্য করার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।