শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা

জামায়াতের আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত
জামায়াতের আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর ২টা ৪৪ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, “বাংলাদেশ এক সময় কার্যত নদীমাতৃক দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। নদীগুলো সচল ছিল। নদীপথে যাতায়াত, পণ্য পরিবহন এবং কৃষিক্ষেত্রে নদী ছিল বিশাল নিয়ামক শক্তি। মৎস্য সম্পদ, জমির উর্বরা সংরক্ষণ এবং বর্ষাকালে সঠিক পানিপ্রবাহের কারণে ঘন ঘন বন্যা ও দুর্ভোগ কমই হতো।”

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, স্বাধীনতার পর ফারাক্কা বাঁধের প্রভাব এবং প্রধান নদীসহ খাল-বিল ভরাটের ফলে একসময়ের স্রোতস্বিনী নদীগুলো এখন পানি ধারণ করতে পারে না। “ফলে অকাল বন্যা ঘটে, শুকনো মৌসুমে নদী মরুভূমির রূপ ধারণ করে। বর্ষায় পানির প্রবাহ বিঘ্নিত হওয়ায় দেশের ক্ষতি হয়। প্রধান শহর ও নগর পানিতে তলিয়ে যায়, আবার শুকনো মৌসুমে নৌ-চলাচল ও কৃষির জন্য পানি নেই।”

তিনি উল্লেখ করেন, দেশের বাঁচার একমাত্র উপায় হলো প্রধান নদীগুলোতে পর্যাপ্ত ড্রেজিং সম্পন্ন করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা। সরকারের উচিত হবে নদী ও খাল পুনর্জীবনের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা। তবে অতীতে ড্রেজিং ও নদী সংস্কারের জন্য বাজেট থাকলেও তা কোনো ফল দেয়নি, কারণ লুটপাটই ছিল শাসকদের মূলনীতি।

বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, “সব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার বিকল্প নেই। দেশবাসীর আমানত সর্বোত্তমভাবে ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কাজে লাগানো সরকারের দায়িত্ব। খাল খননের সুফল তখনই আসবে, যখন নদী প্রাণ ফিরে পাবে, নাব্যতা ফিরে পাবে। অন্যথায় খাল খনন থেকেও জনগণ কাঙ্ক্ষিত সুফল পাবে না।”