রবিবার, 25 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

রাজশাহীতে ভ্রাম্যমাণ পাঠাগার থেকে শেখ মুজিব-হাসিনা সম্পর্কিত বই জব্দ

রাজশাহীতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যৌথ ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত একটি ভ্রাম্যমাণ পাঠাগার থেকে শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদের সংশ্লিষ্ট প্রায় ৩০০টি বই জব্দ করেছে জেলা প্রশাসন। রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের আপত্তির মুখে বুধবার দুপুরে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

রাজশাহীতে ভ্রাম্যমাণ পাঠাগার থেকে শেখ মুজিব-হাসিনা সম্পর্কিত বই জব্দ
ছবি : সংগৃহীত
রাজশাহীতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যৌথ ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত একটি ভ্রাম্যমাণ পাঠাগার থেকে শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদের সংশ্লিষ্ট প্রায় ৩০০টি বই জব্দ করেছে জেলা প্রশাসন। রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের আপত্তির মুখে বুধবার দুপুরে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

এর আগে সকাল সাড় এগারোটার দিকে রাজশাহী কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থানরত ওই ভ্রাম্যমাণ পাঠাগারে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের জীবনী ও সংশ্লিষ্ট বইয়ের উপস্থিতি দেখতে পান মহানগর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এরপর তারা ভ্রাম্যমাণ পাঠাগারের বাসটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসনের দুজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পুরো গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উল্লিখিত বইগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেন।

এই ঘটনার পর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্তদের কাছ থেকে একটি লিখিত অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়েছে, যেখানে ভবিষ্যতে শেখ মুজিব বা শেখ হাসিনার বক্তব্য ও আদর্শ সংশ্লিষ্ট কোনো বই, সাময়িকী কিংবা প্রবন্ধ পাঠাগারে না রাখার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

ঘটনা প্রসঙ্গে মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাকিন রায়হান রবিন জানান, স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পরও তাদের প্রচারণামূলক বই এভাবে বহাল থাকা অত্যন্ত সন্দেহজনক। একটি মহল আওয়ামী লীগকে নতুন করে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসনের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করে তিনি এই বইগুলো বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের শাস্তির দাবি জানান।

অন্যদিকে ভ্রাম্যমাণ পাঠাগারের দায়িত্বে থাকা ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলম জানান, রাজশাহীতে বইগুলো নামিয়ে রাখার মতো উপযুক্ত স্থান না থাকায় সেগুলো গাড়ির ভেতরেই সংরক্ষিত ছিল। তবে সাধারণ পাঠকদের এই বইগুলো পড়ার জন্য দেওয়া হতো না বলে তিনি দাবি করেন। এই বই জব্দের বিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।