চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উড্ডয়ন-অবতরণ এলাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের জলজট সমস্যা দূর করতে ১২ নম্বর খাল পুনর্খননের কাজ হাতে নিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। সম্পূর্ণ নিজস্ব তহবিল ও নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এই খনন প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা ও পানি নিষ্কাশন কার্যক্রমের পরিপূরক হিসেবে বন্দর কর্তৃপক্ষ এই জনকল্যাণমূলক কাজটি শুরু করেছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম এই উন্নয়নমূলক কাজের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, খননকাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে এবং দ্রুত গতিতে কাজ শেষ করার লক্ষ্যে বন্দরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সরাসরি প্রকল্প এলাকায় অবস্থান করে সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন।
সচিব আরও উল্লেখ করেন যে, কেবল ১২ নম্বর খালই নয়, বরং বাণিজ্যিক রাজধানীর পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম রাজাখালী, চাক্তাই, ফিশারিঘাট ও মহেশখালসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খালের মুখেও জরুরি ভিত্তিতে পলি অপসারণের কাজ চলছে। এই আধুনিক ড্রেজিং কার্যক্রমে অত্যাধুনিক গ্র্যাব ও কাটার সাকশন ড্রেজার ব্যবহার করা হচ্ছে।
বন্দর প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খালের মোহনাগুলো সচল করার ফলে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে বৃষ্টির পানি এখন অনেক কম সময়ে এবং অনায়াসে কর্ণফুলী নদীতে গিয়ে পড়তে পারছে। এর ফলে বর্ষা মৌসুমে নগরবাসীর জলকষ্ট লাঘবে এবং বিমানবন্দরের স্বাভাবিক পরিচালন কার্যক্রম সচল রাখতে এই উদ্যোগ ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।