শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে ব্রিটিশ রাজা চার্লসের চি‌ঠি

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস।

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে ব্রিটিশ রাজা চার্লসের চি‌ঠি
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশন এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রাজার এই বিশেষ বার্তা ও শুভেচ্ছাপত্র পাঠানোর তথ্য নিশ্চিত করেছে।

রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে রাজা চার্লস উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জাতীয় দিবসের এই আনন্দঘন মুহূর্তে তিনি এবং রানি কামিলা বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করে তিনি বলেন, কমনওয়েলথের অভিন্ন মূল্যবোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর ভিত্তি করেই এই মজবুত সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

যুক্তরাজ্যে বসবাসরত সাড়ে ছয় লাখেরও বেশি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মানুষের অবদানের প্রশংসা করে ব্রিটিশ রাজা বলেন, এই বিশাল জনগোষ্ঠী ব্রিটিশ জাতীয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করছে। বিশ্বজুড়ে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহযোগিতা বৃদ্ধিতে কমনওয়েলথ পরিবারের ভূমিকা নিয়ে তিনি গর্ব প্রকাশ করেন। বর্তমান বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার সময়ে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার সম্মিলিত শক্তি ও ঐক্য আগের চেয়ে অনেক বেশি জরুরি বলে তিনি অভিমত দেন।

আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর একত্রিত হওয়ার সুযোগ নিয়ে নিজের আগ্রহের কথা জানান রাজা চার্লস। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সেই সম্মেলনে দেশগুলো তাদের যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে ভবিষ্যতের জন্য নতুন কর্মপন্থা নির্ধারণ করতে সক্ষম হবে।

পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে ব্রিটিশ রাজা বলেন, টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু কার্যক্রমে দুই দেশের সহযোগিতা আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি অপরিহার্য দিক। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। সবশেষে রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশের সকল মানুষের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বছরের প্রত্যাশা জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।