শুক্রবার, 23 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

রাত থেকে গণপরিবহনে তেল নেওয়ার সীমাবদ্ধতা থাকছে না : সড়ক মন্ত্রী

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে আজ শনিবার রাত থেকেই দূরপাল্লার বাসসহ সকল গণপরিবহনের জন্য জ্বালানি সংগ্রহের সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, পর্যাপ্ত জ্বালানির সংস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে, যার ফলে সড়কে যানবাহন চলাচলে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে না।

রাত থেকে গণপরিবহনে তেল নেওয়ার সীমাবদ্ধতা থাকছে না : সড়ক মন্ত্রী
ছবিঃ সংগৃহীত

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে আজ শনিবার রাত থেকেই দূরপাল্লার বাসসহ সকল গণপরিবহনের জন্য জ্বালানি সংগ্রহের সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, পর্যাপ্ত জ্বালানির সংস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে, যার ফলে সড়কে যানবাহন চলাচলে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে না।

শনিবার রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস টার্মিনাল সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, কাল রবিবার থেকেই সড়কপথে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের চাপ বহুগুণ বাড়বে। এই বিষয়টি মাথায় রেখে আগেই গণপরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলে আজ রাত থেকেই চালক ও পরিবহন শ্রমিকরা তাদের চাহিদা অনুযায়ী তেল সংগ্রহ করতে পারবেন।

বিআরটিসির বাস চলাচলের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে মন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, সরকারি পরিবহনগুলো নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে স্টেশন ছেড়ে যাচ্ছে এবং যাত্রীদের কাছ থেকে কোনো বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে না। এছাড়া বেসরকারি পরিবহনগুলোর ক্ষেত্রেও যেন জ্বালানি সংকটের দোহাই দিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা অগ্রিম টিকিট বাতিল করা না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। ইতিপূর্বে কিছু পরিবহন মালিক এমন পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করলেও সরকারি হস্তক্ষেপে তা বন্ধ করা হয়েছে।

মহাসড়কের শৃঙ্খলা ও যানজট নিরসন প্রসঙ্গে শেখ রবিউল আলম বলেন, যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে মহাসড়কের নির্মাণাধীন প্রকল্পগুলোর কাজ সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অন্তত দুই থেকে তিনটি লেন যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে এবং চার লেনের সড়কগুলোতে সবকটি লেন সচল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঈদ উপলক্ষে মহাসড়কের জ্বালানি স্টেশনগুলো উৎসবের আগে সাত দিন এবং পরে পাঁচ দিন দিনরাত ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, সম্ভাব্য যানজটপ্রবণ ২০৭টি স্পর্শকাতর পয়েন্ট চিহ্নিত করেছে সরকার। এসব স্থানে হাইওয়ে পুলিশ, বিআরটিএ, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে বিশেষ নজরদারি টিম মোতায়েন করা হয়েছে। সামগ্রিক প্রস্তুতির কথা তুলে ধরে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সমন্বিত উদ্যোগের ফলে এবারের ঈদযাত্রা গত কয়েক বছরের তুলনায় অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক হবে এবং কোনো যাত্রীকেই রাস্তায় দীর্ঘ সময় আটকে থাকতে হবে না। একই সাথে ভাড়ার নৈরাজ্য রোধে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে বলেও তিনি জানান।