ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন এবং জনমব সৃষ্টির অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. আবুবকর সরকারের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এই অভিযোগ জানানো হয়েছে।
চিঠিটি নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি এবং সিনিয়র সিভিল জজ আশরাফুল ইসলামের কাছে পাঠানো হয়েছে, যাতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।
রবিবার বিকেলে সরাইল উপজেলার কালীকচ্ছে মতবিনিময়কালে রুমিন ফারহানা প্রশাসন, পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, “আশা করি প্রশাসন, পুলিশ, কমিশন ও সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে। কাউকে ডান চোখে, কাউকে বাম চোখে দেখবেন না। আপনাদের ৫ আগস্টের কথা মনে রাখতে হবে। যদি নিরপেক্ষতা না থাকে, তবে সারা বাংলাদেশে যে পরিস্থিতি ৫ আগস্ট ঘটেছিল, ঠিক তেমন ঘটনা যেকোনো আসনেও ঘটতে পারে।”
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরাইলের ইসলামাবাদ গ্রামে রুমিন ফারহানা প্যান্ডেল দিয়ে বিশাল জনসমাবেশ আয়োজন করেন, যা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন। সভা ভেঙে দেয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জুয়েল মিয়াকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। অভিযোগে বলা হয়, এই সময় রুমিন ফারহানা ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধাঙ্গুল প্রদর্শন করেন এবং বারবার হুমকি দেন। এছাড়া, তাঁর সঙ্গে থাকা জুয়েল মিয়াসহ অন্যান্যরা মারমুখী আচরণ করে বিচারিক কাজে বাধা সৃষ্টি করেন। চিঠিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকা ভিডিওর লিঙ্কও উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ অস্বীকার করে রুমিন ফারহানা বলেন, “প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর সভা থেকে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল প্রদর্শনের বিষয়টি বলার সময় আমি ‘এইরকম’ দেখিয়েছি। আশা করি প্রশাসন কারো পক্ষ নেবে না।”