সাহিত্য ও সংস্কৃতির নিরলস সাধনা মানুষের চিন্তাচেতনাকে উন্নত ও প্রসারিত করে সমাজকে ইতিবাচক ভাবনায় উদ্বুদ্ধ করে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
তিনি বলেন, সৃজনশীল মনন ও শিল্পের চর্চায় যারা আত্মনিয়োগ করেন, তারা কেবল আত্মিক প্রশান্তিই লাভ করেন না, বরং তাদের মৌলিক সৃষ্টি ও নিত্যনতুন আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে সমাজ প্রগতির এক নতুন ধারা উন্মোচিত হয়।
সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে আয়োজিত ‘জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক ২০২৪ ও ২০২৫’ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।
গতকাল শুক্রবার নগরীর শাহী ঈদগাহ এলাকায় অবস্থিত সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমির নিজস্ব মিলনায়তনে এই সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। বর্ণাঢ্য এই সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেটের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকী সাহা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত ভাষণ দেন সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) সাঈদা পারভীন। পরবর্তীতে আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নেন সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল রহমান, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, বিশিষ্ট বাচিকশিল্পী সালেহ আহমদ খসরু এবং প্রথিতযশা সংস্কৃতি সংগঠক মনজুর আহমদ চৌধুরী।
অনুষ্ঠানের মূল পর্বে প্রধান অতিথি গুণীজনদের সংস্কৃতির প্রতি অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের হাতে সম্মাননা পদক, প্রশংসাপত্র ও সম্মাননা চেক তুলে দেন এবং তাদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
দুই বছরের এই যৌথ আয়োজনে ‘জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক ২০২৫’ অর্জন করেছেন আবৃত্তি শিল্পে সালেহ আহমদ খসরু, আলোকচিত্রে মো. আবদুল মোনায়েম, সৃজনশীল সাংস্কৃতিক গবেষণামূলক কাজে সেলিম আউয়াল, কণ্ঠ সংগীতে মো. শামীম আহমদ এবং আঞ্চলিক সৃজনশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে গীতবিতান-বাংলাদেশ।
অন্যদিকে ‘জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক ২০২৪’ এ ভূষিত হয়েছেন কণ্ঠ সংগীতে প্রতীক এন্দ, চারুকলায় আবদুল মালিক, নৃত্যকলায় শ্যামল ঘোষ, যন্ত্র সংগীতে মো. স্বপন খান এবং আঞ্চলিক সৃজনশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে কথাকলি সিলেট।