শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

সীমান্তে পুশইনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের জনগণের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ

ভারতীয় এক নাগরিককে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে জামালপুরের বকশীগঞ্জ সীমান্তে উত্তেজনা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পাশাপাশি দুই দেশের স্থানীয় বাসিন্দারাও মুখোমুখি অবস্থানে চলে যান।

সীমান্তে পুশইনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের জনগণের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ

ভারতীয় এক নাগরিককে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে জামালপুরের বকশীগঞ্জ সীমান্তে উত্তেজনা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পাশাপাশি দুই দেশের স্থানীয় বাসিন্দারাও মুখোমুখি অবস্থানে চলে যান।

বুধবার (১০ জুন) বিকেলে সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে বাংলাদেশিদের ধাওয়ার মুখে ভারতীয়দের সরে যেতে দেখা যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ নম্বর পিলারের কাছে এক ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে সেই চেষ্টা সফল হয়নি। পরে ওই ব্যক্তিকে শূন্যরেখায় রেখে যায় বিএসএফ সদস্যরা।

শূন্যরেখা থেকে ওই ব্যক্তি বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয়রা তাকে বাধা দেন। এরপর তিনি আবারও শূন্যরেখায় ফিরে যান।

ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সমাধান হয়নি। উভয় পক্ষই ওই ব্যক্তিকে নিজেদের দায়িত্বে নিতে অনাগ্রহ দেখায় বলে জানা গেছে।

পতাকা বৈঠক ফলপ্রসূ না হওয়ায় সীমান্ত এলাকায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা আরও বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে সেই উত্তেজনা দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে। বিকেলে সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার কাছাকাছি অবস্থান নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের দাবি, বিএসএফ প্রায়ই পুশইনের চেষ্টা করে থাকে। তারা বলেন, বিজিবিকে সহযোগিতা করতে গেলে ভারতীয় পক্ষ থেকে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি করা হয়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিকেলে ভারতের কয়েকজন যুবক বাংলাদেশিদের লক্ষ্য করে ঢিল ছুড়লে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখান স্থানীয়রা। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

এ বিষয়ে জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান সীমান্তবর্তী জনগণকে শূন্যরেখা অতিক্রম না করার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবিকে সহযোগিতা করার জন্য স্থানীয়দের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।