রবিবার, 20 সেপ্টেম্বর 2026
সকল বিভাগ

২০২৯ সালের জুনে শেষ হবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেনের কাজ: সেতুমন্ত্রী

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করার কাজ ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে শেষ করে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার শশই এলাকায় মহাসড়কের নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

২০২৯ সালের জুনে শেষ হবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেনের কাজ: সেতুমন্ত্রী
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করার কাজ ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে শেষ করে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার শশই এলাকায় মহাসড়কের নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। ছয় লেনে উন্নীত করার প্রকল্পটি বেশ আগে নেওয়া হলেও সাড়ে চার বছর পেরিয়ে গেলেও এর অগ্রগতি সন্তোষজনক ছিল না। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।

তিনি জানান, গত ছয় মাসে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার পর ভূমি অধিগ্রহণের অগ্রগতি প্রায় ৫৬ শতাংশে পৌঁছেছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে শতভাগ ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হবে বলে আশা করছেন তিনি। এ ছাড়া প্রকল্পের ভৌত কাজের অগ্রগতি প্রায় ২৭ শতাংশ।

শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘এ প্রকল্পের কাজে যেখানে বিচ্যুতি আছে, সেগুলো অতিক্রম করে আমরা এই সড়কটি বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছি। সড়কের ১৩টি প্যাকেজের মধ্যে ৫টি প্যাকেজের কাজের অগ্রগতি অসন্তোষজনক। বাকি ৮টি প্যাকেজের কাজ সন্তোষজনক। আমরা ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে মহাসড়কটি দরপত্র অনুসারে নির্মাণ কাজ শেষ করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে চাই।’

বর্তমান কাজের অগ্রগতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও নির্মাণকাজের কারণে কিছুটা জনদুর্ভোগ হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় প্রকল্পের কাজ তেমন এগোয়নি বলেই এখন এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

শেখ রবিউল আলম জানান, ‘বর্তামানে কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক। তবে কিছুটা জনদুর্ভোগ হচ্ছে, যেহেতু ৪ বছর কাজের তেমন অগ্রগতি ছিল না। বিগত সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকার খুব বেশি মনযোগী ছিল না এই প্রকল্প নিয়ে। ভূমি অধিগ্রহণ বড় সমস্যা ছিল, সেটা থেকে উত্তরণ হতে চলেছি আমরা। ভৌত কাজ যেখানে সন্তোষজনক নয়, সেটা কীভাবে আরও জোরালো করা যায় সেই চেষ্টা করছি আমরা।’