জনগণ বিদ্যমান সংবিধান কেবল পরিবর্তনের জন্য নয়, বরং তা আমূল সংস্কার করার সুস্পষ্ট রায় দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের সুবিধা বিবেচনা করে বা দলীয় স্বার্থ রক্ষার্থে দেশের আইন প্রণয়ন হোক, তেমনটি তারা আশা করেন না। শাসনতন্ত্রের এই প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন হলেই কেবল রাষ্ট্রে একটি স্বচ্ছ ও সুস্থ গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
বুধবার সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে বাজেট-উত্তর এক মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা এই অভিমত প্রকাশ করেন। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থার অন্যতম কারণ হিসেবে তিনি অতীত ঐতিহ্যের গণভোটের রায়কে অবমাননা বা অমান্য করার প্রবণতাকে দায়ী করেন।
সদ্য ঘোষিত জাতীয় বাজেট মূল্যায়নে সরকারপ্রধান ও বিরোধীদলীয় এই শীর্ষ নেতা জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য যে আর্থিক পরিকল্পনা পেশ করা হয়েছে, তা পূর্বেকার অনুমানের সাথে বেশ সামঞ্জস্যপূর্ণ। একটি বিশাল অংকের বাজেট প্রণয়ন করা কখনোই অন্যায্য বা অপরাধমূলক পদক্ষেপ নয়; তবে আসল সংকট ও মূল চ্যালেঞ্জটি লুকিয়ে থাকে তা মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের দক্ষতা এবং অর্থ অপচয় বা দুর্নীতিরোধের ওপর। এই নির্দিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে যদি দৃশ্যমান পরিবর্তন বা কাঠামোগত সংস্কার আনা সম্ভব না হয়, তবে সাধারণ মানুষ রাষ্ট্রীয় এই বাজেটের প্রকৃত সুফল ও কল্যাণ থেকে বঞ্চিতই থেকে যাবে।