শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

সপরিবারে বাংলাদেশে শ্রীকান্ত আচার্য

পশ্চিমবঙ্গের সংগীতশিল্পী শ্রীকান্ত আচার্যের পূর্বপুরুষের আদি বসতি বাংলাদেশের ময়মনসিংহে। পৈত্রিক ভিটেমাটির টানে এবং এই মাটির প্রতি গভীর মমত্ববোধ থেকে তিনি বারবার বাংলাদেশে ছুটে আসেন। বিভিন্ন সময়ে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই গুণী শিল্পী জানিয়েছেন, বাংলাদেশে পা রাখলেই তিনি নিজের শেকড়ের ঘ্রাণ খুঁজে পান। সেই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি সপরিবারে ঢাকা সফরে এসেছেন তিনি।

সপরিবারে বাংলাদেশে শ্রীকান্ত আচার্য
ছবিঃ সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গের সংগীতশিল্পী শ্রীকান্ত আচার্যের পূর্বপুরুষের আদি বসতি বাংলাদেশের ময়মনসিংহে। পৈত্রিক ভিটেমাটির টানে এবং এই মাটির প্রতি গভীর মমত্ববোধ থেকে তিনি বারবার বাংলাদেশে ছুটে আসেন। বিভিন্ন সময়ে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই গুণী শিল্পী জানিয়েছেন, বাংলাদেশে পা রাখলেই তিনি নিজের শেকড়ের ঘ্রাণ খুঁজে পান। সেই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি সপরিবারে ঢাকা সফরে এসেছেন তিনি।

সফরকালে শ্রীকান্ত আচার্য তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং সংগীত অঙ্গনের সহকর্মীদের সঙ্গে হৃদ্যতাপূর্ণ সময় পার করছেন। এরই মধ্যে তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঐতিহাসিক ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন করেছেন। পহেলা বৈশাখের উৎসবমুখর পরিবেশে সপরিবারে ঢাকার রাজপথের প্রাণচাঞ্চল্য ও উৎসবের আমেজ উপভোগ করা শ্রীকান্তের এবারের ভ্রমণকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে।

নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে এই সংগীতশিল্পী জানান, ২০০০ সাল থেকে গত ২৬ বছর ধরে তিনি নিয়মিত বাংলাদেশে আসছেন। ঢাকার বাইরেও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তাঁর ঘোরার সুযোগ হয়েছে। তবে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে এবারই তাঁর প্রথম আসা। নববর্ষের আবহে এমন একটি ঐতিহাসিক স্থানে পরিবারের সবাইকে নিয়ে ভ্রমণ করতে পেরে তিনি বিশেষ তৃপ্তি বোধ করছেন।

ভ্রমণের অংশ হিসেবে গত বুধবার সন্ধ্যায় তিনি রাজধানীর স্বনামধন্য প্রকাশনী সংস্থা 'বাতিঘর' পরিদর্শনে যান। সেখানে তিনি দীর্ঘ সময় বইয়ের সান্নিধ্যে কাটান এবং বিভিন্ন লেখকের কাজ ঘুরে দেখেন। এ সময় বাতিঘর কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও তাঁর সৌজন্য আলাপ হয়।

দুই বাংলাতেই সমভাবে জনপ্রিয় এই শিল্পী বাংলাদেশি শ্রোতাদের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। শ্রীকান্ত আচার্য বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গান গাইতে গিয়ে তিনি লক্ষ্য করেছেন যে, তাঁর শ্রোতাদের একটি বড় অংশই বাংলাদেশি। বিদেশের মাটিতে দেশি গানের প্রতি তাঁদের গভীর আবেগ ও অনুরাগ তাকে বারবার আপ্লুত করে। একজন আবেগপ্রবণ মানুষ হিসেবে শ্রোতাদের সঙ্গে এই নিবিড় আত্মিক সংযোগকে তিনি অত্যন্ত মূল্যবান বলে মনে করেন।